মোসাহেবদের খালেদা আর আমাদের খালেদা তো আলাদাই। হাসিনার সময়ে মোসাহেবদের এক হাসিনা ছিল। এখন তাদের অনেকের কেবলা বদল হয়েছে। কিন্তু, এই মোসাহেব কলোনিকে উপেক্ষা কইরাই খালেদা একা দাঁড়ানোর সাহস রাখতেন, বাংলাদেশের পক্ষে। এই কারণেই, মতলবিদের বাইরে খালেদা জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হতে পারছিলেন, সব প্রতিকুল মুহূর্তেই। এই যে প্রতীক হইতে পারা, এইটা, এখন যে মতলবি ও মোসাহেবরা খালেদার পক্ষে সবার দাঁড়াতে চাওয়া ও দাঁড়াতে পারারে প্রশ্ন করছেন, তাদের রক্ষণশীলতাগুলোরে ইগনোর কইরাই। তারা খালেদারে তাদের কুয়ায় ভইরা স্রেফ বিএনপির নেত্রী বানিয়ে রাখতে চান। তাদের ভিশন এত ছোট, তারা অইখানে নিজের ক্ষুতাতিক্ষুদ্র ছায়া ছাড়া আর কাউরে দেখেন না। এই কারণে, আমরা একটা গণঅভ্যুত্থানের পরে জাতি গঠনমুহূর্তেও কোন জিরোনোর সুকুন খুঁজে পাই না। খালেদা জিরোনোর সুকোন হইতে পারতেন আমাদের। জীবিত বাজনীতিকদের মধ্যে একমাত্র খালেদাই আমাদের স্বাধীনতা ও জাতীয় ঐক্যরে ধারণ করতে সক্ষম ছিলেন। খালেদাপুত্র তারেক রহমানের সেই সাহস ও ইচ্ছে আছে, এখনো আমরা তার কোন নজির দেখতে পাই না। তবে, আমি তার ব্যাপারেও এই আশা রাখতে আগ্রহী। আমাদের তারেকের দিন দেখার বাকি আছে আরো অনেক দিন।
#রিফাতহাসান #ফেসবুকেও প্রকাশিত