unSocial

ফাহাম আব্দুস সালামের শেয়ার থেকে একটা ভিডিও দেখলাম, যেখানে শহীদ জিয়াউর রহমানের ছবি পা দিয়ে মাড়ানো হচ্ছে, আর তার জুম ভিডিও করা হচ্ছে। তিনি লিখছেন, 'দিস উইল বি রিমেম্বারড'। এইটা রিমেম্বার হইতে পারার মতই 'ইমেইজ' বটে।

তবে, আমার সন্দেহ, উনি তাড়াহুড়া করেছেন।

এই ভিডিও হাসিনার আমলের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এখনকার হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে, এইটা ফ্যাক্টচেক কইরা দেখার অনুরোধ করব কদরুদ্দিন শিশিরদের।

আমার এই অনুমানের কারণ, এক. জুলাই অভ্যুত্থানের পরের এই সময়ে জিয়ার ছবির উপরে পা দিয়ে লাইভ ভিডিও করার উদ্যম, সাহস বা জিয়ার প্রতি এই 'ঘৃণা' কারো থাকবে, একমাত্র আওয়ামীলীগ ছাড়া, এইটা আমার রিডিং বলে, সম্ভব না। এই অঞ্চলের মানুষ জিয়াকে ভালবাসে, কিন্তু তারে নিয়া একটা ঘৃণা উৎপাদন করা হয়েছে সব সময় আওয়ামীলীগ এবং ট্রেডিশনাল বাম মহল থেকে। এই ঘৃণার অংশিদার বাংলাদেশে এই মুহূর্তে অভ্যুত্থানের অংশীদার কেউ নয়।

দুই. যদি গতকালকের ঘটনা হয়েও থাকে, তাহলে, বুঝতে হবে, এইটা সাবোটাজ। এইটারে কেন্দ্র কইরা 'রিমেম্বার' এর হুশিয়ারি উৎপাদনের চেয়েও জরুরি কাজ হল, এই ঘটনা যে স্বাভাবিক হইতে পারে না, এইটা মনে করিয়ে দেওয়ার স্থৈর্য ও প্রজ্ঞা। মনে রাখতে হবে, গতকালকের ব্রুটালিটির পরে তারেক রহমানকে নিয়া শ্লোগান খুবই সাধারণ পলিটিকাল ইভেন্ট, তারেক রহমানের কাছ থেকে 'জবাব চাওয়া', এইটা খুবই স্বাভাবিকতা।

বরং এই ঘটনার পরে তারেক রহমানের ভিডিও বক্তৃতা শুইনা আমি খুব হতাশ, তার ভেতরে ষড়যন্ত্র ও ব্যর্থতা ছাড়া নিজের দলের লোকের সম্পৃক্ততা নিয়ে কোন অনুশোচনা নেই।

কিন্তু, মনে রাখতে হবে, এইটারে কেন্দ্র কইরা জিয়ার উপরে 'হিংসা' উৎপাদন কোন পলিটিকালি মেচিওরড পক্ষ করবে না, বরং বর্তমান বিএনপির প্রতি অসন্তুষ্ট লোকেদেরও রাজনীতি হল, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার উপরে আস্থা প্রকাশ। এইটা খেয়াল রাখতে বলব সবাইকে। এবং সাবোটাজগুলোরে নজরে রাখতে বলব।

ভাবেন, এই ধরনের প্রচুর রেডি ফুটেইজ আছে, যখন হাসিনার সময়ে পথে পথে বিএনপির অফিসে এরকম হামলা ও ভাঙচুর করা হত। এগুলো এখন, সমন্বিতভাবে, বিভক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব।

ফাহাম আব্দুস সালামের শেয়ার থেকে একটা ভিডিও দেখলাম, যেখানে শহীদ জিয়াউর রহমানের ছবি পা দিয়ে মাড়ানো হচ্ছে, আর তার জুম ভিডিও কর…
July 12, 2025
13 readers till now, 0 new visits today.

No comments yet. Be the first!