unSocial

কার্টুন দেখতে দেখতে, হঠাৎ খেয়াল করলাম, কৃষ্ণনগরের মহারাজার সভা ও পুরো দেশ, মূলত ভাঁড় আর মন্ত্রী মশাই চালান। ভাঁড়ের সৈন্যসামন্ত হল তার পুঁচকে ভাতিজারা। রাজার কোন সৈন্য নেই। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র বন্দী হলেও, ভাঁড়ই ভরসা, সেনাপতি লুকিয়ে থাকেন। কিন্তু, কখনোই কারো চাকরি যায় না। সবচেয়ে করুণ হল, কৃষ্ণচন্দ্রের কাছ থেকে সভাকবি, এমন কি এত গুণী মহাবিজ্ঞানী ভদ্রলোকও কদর দূরে থাক, কখনোই কোন মোহর পান না। শুধু ভাঁড়ের মোহরের থলি ভরে ওঠে। আর মন্ত্রী, উনার হাতেই তো খাজাঞ্চিখানার চাবি ও প্রবেশাধিকার। ফলে, যত চুরিই করুন, মন্ত্রী বহাল থাকেন। ক্ষমতা ও ভাঁড়বিদ্যা নিয়া আমার হঠাৎ এই আলাপরে নিতান্তই কৌতুক হিসেবে পড়তে পারেন। ভাঁড়বিদ্যা নিয়ে আমার অধুনালুপ্ত একটা বহি আছে, নাম, এই সময়টি আপনি কীভাবে উদযাপন করবেন। এই আলাপের সাথে বাস্তবের কোনো কৃষ্ণনগর বা গোপাল ভাঁড়ের কোন সম্পর্ক আপাতত নেই। তবে, সামনের দিনগুলোতে তো সম্পর্ক তৈরী হতেই পারে।

কার্টুন দেখতে দেখতে, হঠাৎ খেয়াল করলাম, কৃষ্ণনগরের মহারাজার সভা ও পুরো দেশ, মূলত ভাঁড় আর মন্ত্রী মশাই চালান। ভাঁড়ের সৈন্যসামন…
September 12, 2025
31 readers till now, 0 new visits today.

No comments yet. Be the first!