এনসিপির সাথে দলীয় মার্কা ও নিবন্ধন নিয়া নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটা অসভ্যতা করা হইছে। এইটা তাদের প্রাপ্য ছিল না। এই অসভ্যতার জন্য নির্বাচন কমিশনের দুঃখিত হওয়া এবং ক্ষমা চাওয়া উচিত। মাহমুদুর রহমান মান্নার দল তো অন্য প্রতীক গ্রহণ করেছে, এই অবস্থায় তাদের একদা না পাওয়া প্রতীক নিয়া কোন অধিকারমূলক অবস্থান গ্রহণের সুযোগ নেই। তাদেরে শাপলা যে ভুল বিবেচনার উপরে ভিত্তি কইরা দিল না, তার বিরুদ্ধে তারা অবস্থান নিতে পারল না, এইটা তাদের ব্যর্থতা। কিন্তু তাদের দলের কনসার্ন এখানেই শেষ।
এনসিপি দীর্ঘ তর্ক ও আলাপ আলোচনা তৈরীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে পারছে যে, পুরো প্রতীক থেকে আলাদা কইরা স্রেফ শাপলা ফুলরে একক জাতীয় প্রতীক হিশেবে চিহ্নিতকরণ প্রবলেমেটিক, প্রতীক বরাদ্দ করায় সমস্যা নেই। যেমন সমস্যা নেই ধানের শীষে, যেহেতু এইটাও জাতীয় প্রতীকের অংশ। ফলে, নির্বাচন কমিশন এক সময়ে এইটা বলতে বাধ্য হয়েছেন যে, কেন এনসিপিকে এই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা তারা দেবে না।
এই ঘোষণারে নির্বাচন কমিশনের অটোক্র্যাটিক আচরণ হিশেবেই দেখছি। এইসব প্রতিকুলতা শেষে, যদি এনসিপি শাপলা বরাদ্দ পায় শেষমেষ, এই ঘটনারে মান্নাদেরও বিজয় হিশেবে নেওয়া উচিত, যেহেতু তাদেরে এই প্রতীক না দেওয়াটা অনায্যতা প্রমান হয় এতে । কিন্তু, এনসিপিরে বঞ্চিত করে শাপলারে মান্নাদের প্রাপ্য করে তোলার যে রাজনীতি, সে রাজনীতিরে বরং প্রশ্ন করেন। এনসিপিকে শাপলা দিন।
No comments yet. Be the first!