unSocial

খালেদা জিয়া আজ অনন্ত যাত্রায় যাচ্ছেন। দুই হাজার দশ সালের নভেম্বর। তখন মাত্রই গুণ্ডামির মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হল। বিডিনিউজের অনুরোধে তখন মাঝে মধ্য ওদের অপিনিয়নের জন্য লিখতাম। এই লেখাটা যখন লিখি, তখন আমাকে বহুত শব্দ নিয়া বারবার পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ করা হইছিল। যেমন, আইএসপিআর। যদিও সেমি একাডেমিক টোনের লেখা, এরকম আরো বেশ শব্দ সম্পর্কে ভাবতে হইছিল তখন। এই ইস্যুতে তখন কথাবার্তা বলা প্রায় বারণ। ফলে, এই লেখাটার বাইরে এই নিয়া তেমন গুরুত্বপূর্ণ লেখা চোখে পড়ে নাই আমার কোথাও। কমেন্টে লেখাটার লিঙ্ক দিচ্ছি। লেখাটা পরে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও রাজনীতি বহিতে মুদ্রিত হয়।

/ মিডিয়ায় বেআব্রু ‘নারী’: রাষ্ট্র ও অন্যান্য নিপীড়কবৃন্দ

'এই পর্যায়ে আমরা আমাদের এই পাঠকে ১৪ নভেম্বর পড়ন্ত বিকালে সেনানিবাসে একজন নারী খালেদা জিয়ার বাসভবনের ঘটনাপঞ্জির সামনে দাঁড় করাতে চাই। খালেদা জিয়ার বাসভবনে এই সময়ে ঘটে যাওয়া নারীর প্রতি মিডিয়া, আইএসপিআর ও সরকারের অভূতপূর্ব ভূমিকার সামনে। তাঁর বাড়ি নিয়ে আইনি, দলীয় ও পাতি-রাজনৈতিক যেসব আলোচনা সম্ভব সেইসবের বাইরে থেকেই এই পাঠের চেষ্টা। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে একজন বিরোধী দলীয় নেত্রী নন খালেদা, রাষ্ট্রের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নন, বাংলাদেশের অসম্ভব জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন নন, এমন কি মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রীও নন। তিনি খালেদা জিয়া, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের একজন সামান্য নাগরিক, এবং নারী। যিনি সেইদিন উপরের ওইসব পরিচয়ের একটিরও কোন সুবিধা পান নাই রাষ্ট্রের কাছ থেকে, বরং স্রেফ একজন সাধারণ নাগরিক, বৃদ্ধ, অসহায়, নিঃসঙ্গ এক নারী হিসেবেই নির্যাতিত হয়েছিলেন, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের সহযোগী মিডিয়া, আইএসপিআর, পুলিশ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে।'..

খালেদা জিয়া আজ অনন্ত যাত্রায় যাচ্ছেন। দুই হাজার দশ সালের নভেম্বর। তখন মাত্রই গুণ্ডামির মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাড়ি…
December 31, 2025
36 readers till now, 0 new visits today.

No comments yet. Be the first!