গণভোট হল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এবং এর প্রধান এবং একমাত্র পক্ষ অবশ্যই সরকার। ১৯৭৭ সালের ৩০ মে, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম গণভোটের প্রশ্ন ছিল, 'রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, বি, উ এবং তাঁর অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি আপনার আস্থা আছে কি?'। এই ভোটে ৯৮.৯% হাঁ ভোট পড়েছিল, এবং এই রেজাল্ট তুলে আনার জন্য প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্ভব সব প্রচারণা ও উপায় অবলম্বন করেছেন, ইতিহাসে পাবেন। ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে এ বছরের যে গণভোট, এইটারও গন্তব্য হল, সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তের উপরে, জুলাই সনদে, মানে গণঅভ্যুত্থানের উপরে জনগনের আস্থাকে হাজির করা। এই গণভোটেরও একমাত্র পক্ষ সরকার। কিন্তু, আমি দেখছি, জুলাই সনদ নিয়া যে গণভোট, এই গণভোটে হাঁ এর পক্ষে সরকারের তেমন প্রচারণা হাজির নেই। কেন? নিজেরে নিয়া কইতে লজ্জা লাগে? লজ্জা লাগলে, জিয়াউর রহমান থিকা শিক্ষা নেন। গণভোট কোন সাধারণ নির্বাচন নয়, এমন কি স্রেফ নির্বাচন কমিশনের ইচ্ছাধীন কোন ঘটনা নয়। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানমতে, এই নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের কোন বিধি ও নিষেধ খাটবে না। ফলে, গণভোটে হাঁ এর পক্ষে সবরকম জনসমাগম ও মিছিল করুন সরকার ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো। যদি এই সমাগমগুলোতে নির্বাচন কমিশন বাধা দেয়, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করুন। কিন্তু হাঁ এর পক্ষে এগ্রেসিভ প্রচারণা করুন, জিয়াউর রহমানের মত।
No comments yet. Be the first!