এই স্ত্রিণশটটা দু তিন দিন আগের। আমি, মোটামুটি, ব্যাগট্যাগ গুছিয়ে বইসা থাকি, যে কোন দিন এখানে না পেলে আনসোশালে পাবেন আমারে। আনসোশালরে প্লেস্টোরেও রেখেছি এখন। তো, একটু আগে প্রথম আলো থিকা দুইটা নিউজ পড়লাম। এক. নির্বাচন কমিশনের অনিরাপদ সাইট থিকা সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত তথ্য চলে গেছে অনেকের হাতে, তাই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত সাংবাদিকেরা। পাশাপাশি, আরেকটা নিউজ, জামাত নেতা ডাক্তার শফিকের এক্স একাউন্ট হ্যাক। তো, জামাতের ইন্টারেস্টিং অভিযোগ হল, ডাক্তার শফিকের এক্স একাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় ব্যবহার হইছে সরকারি ইমেইল। আমি জানি না, এই ঘটনাগুলো কীভাবে ঘটে। তবে, নির্বাচন কমিশনের অনিরাপদ সাইটের নিউজটা একই সাথে ঘটায় চোখ সরু হল আমার। যাই হোক, কয়েকদিন আগে আমি, আ আল মামুন, ফাহাম আব্দুস সালাম, এবং আরো অনেকের একাউন্ট হ্যাকারদের আক্রমণের শিকার হইছিল, ফলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। অনেক কাঠখড় পোহাতে হইছে এই নিয়া। মন্ত্রী থাকাকালে আসিফ, পরে হাসনাত আব্দুল্লাহর একাউন্টও চলে গেছিল। ক্ষমতাবানদের উদাহরণ দিচ্ছি। তো, এইসব নিউজরে অস্বাভাবিক মনে হয় নাই আমার, বিশেষত আমার মত জানাশোনা মানুষেরও যেহেতু হইতে পারল। শফিক বুড়োর মত লোকেদের একাউন্টে অন্য কেউ ঢুকতে পারার ব্যাপারটা সবচেয়ে সহজ হওয়ার কথা। তবে, তবে, এইসবই অনুমান মাত্র, যারা শফিকের হ্যাক হওয়ার ঘটনারে মিথ্যাচার দাবী করছেন, তার থিকা একটা পজিটিভ অনুমান মাত্র। নারীনেতৃত্ব প্রশ্ন নিয়া সম্প্রতি আলজাজিরায় মূর্খ কমেন্টের পরে শফিকের উপর তো গোস্বা আছে অনেকের। নির্বাচনকে কেন্দ্র কইরা শফিকের নারী প্রশ্নরে আরো উতলা করার সুযোগ তো বিরোধীরা নেওয়ার সম্ভাবনা তো থাকেই, স্বাভাবিক। তবে, আমার শফিকের টুইট পড়ে মনে হইছে, শফিকরে এতটা এপলিটিকাল পাবেন না আপনি সাম্প্রতিক কোন বক্তব্যে। বরং, জামাত রাজনীতিতে শফিকরে আমি এখন পর্যন্ত অপেক্ষাকৃত সেকুলারাইজেশন, বা নিদেনপক্ষে দলটির লিবারালাইজেশনের পয়গম্বর হিশেবে খেয়াল করছি হাসিনার আমলের শেষ দিকে হঠাৎ। এই নিয়া আলাপ করেছি আমি। পরে, আরো আলাপ করবো। তবে, আল জাজিরার সংলাপটা শফিককে এই জায়গায় একটু পিছিয়ে দেবে। সর্বশেষ, এই টুইটটা একটু হাস্যরস তৈরী করল মাত্র। দেখা যাক।
No comments yet. Be the first!