গণভোটের আগের এবং পরের বাংলাদেশের একটা পার্থক্য আছে, এইটা জ্ঞানী, মানে মূর্খরা বুঝতে চান না। এতদিন ধইরা আমাদেরে বলা হইত, তোমরা যে পরিবর্তনের কথা কও, তোমাদের ম্যান্ডেট কই? উনারা একটা অভ্যুত্থানের যে ম্যান্ডেট, তারে বুঝতে পারত না, বা নাকচ করত। তখন, আমরা সরাসরি গণভোটে এবসলিউট ম্যান্ডেট অর্জন করে যখন কইলাম, দেখেন, আপনারা যারে হাজের নাজের মানেন, সেই ম্যান্ডেটও আছে। তখন, উনারা ছয় দফার পরিবর্তে গণপরিষদ গঠন করতে না চাওয়া ইয়াহিয়া খান হয়ে যেতে চাইলেন। গণভোটের ম্যান্ডেটকে ভায়োলেট করলে সমস্যা কী? এই প্রশ্নের উত্তরে, আমি সেই জ্ঞানী বন্ধুরে কইলাম, ম্যান্ডেট তো ভায়োলেট করারই ব্যাপার। যদি বলপ্রযোগের ক্ষমতা আপনার অধীনে থাকে। যেমন ইযাহিয়া খান ভায়োলেট করছিলেন, ফলে বাংলাদেশ হল। ফলে, ধরুন, জাতীয় নির্বাচনের ম্যান্ডেটরেই ভায়োলেট করি যদি, সমস্যা কী? কেবল তারেক রহমানকেই কেন প্রধানমন্ত্রী হতে হবে? আমরা সবাই মিলে হইতে পারি না? উনি দুই তৃতীয়াংশ, কিন্তু আমরা জনগণ তো এবসলিউট ম্যান্ডেটে বিজয়ী। আরো ইন্টারেস্টিং ব্যাপার বলি, এই এবসলিউট ম্যান্ডেটে তাদের দুই তৃতীয়াংশ জয়েরও যে ৫০% ভোট, তার বড় অংশের ম্যান্ডেট আছে, যা জ্ঞানীরা কাউন্ট করে না।
No comments yet. Be the first!