নির্বাচনে প্রতিপক্ষের জয় মেনে নেওয়ার একটা সৌন্দর্য আছে। যদি 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং' নিয়ে এগার দলীয় জোটের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকে, আমার মতে, তারা এই নিয়া রাজনীতিতে হাউকাউ তৈরী করলে তারে নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় পুরনো নজিরগুলোর অনুকরণ হিশেবে পড়বে সাধারণ মানুষ। মেনে নেওয়ার এই সৌন্দর্যটা হারাবে।
বরং তারা তাদের বিজয়গুলোকে সেলিব্রেট করতে পারে বেটার ওয়েতে।
তাদের কাছে মাঠ দখল কইরা রাখার বেটার টুল আছে, যেটি হল সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, যেইটাতে তারা নিরঙ্কুশ ভোটে জিতেছে।
আর যদি, তাদের কাছে কথিত ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য থাকে, তারা এইটার একটা সাইলেন্ট অনুসন্ধানি রিপোর্ট করতে পারে দ্রুতই। যেমন, সংস্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর এজেন্টদের সাক্ষাৎকার, তাদের মতামত, কীভাবে রিপোর্ট তৈরীতে মেনিপুলেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তারা নিজেদের গণনায় যা পেয়েছে, পরে তা পরিবর্তন হল কিনা, বা আদৌ কয়টা কেন্দ্রে তাদের লোক ছিল গণনার সময়ে, তাদের এজেন্ট ছিল কিনা সব কেন্দ্রে, ইত্যাদি। এইসব, নির্বাচন কমিশন রাজি না থাকলেও বোধ হয় করতে আইনি জটিলতা নেই।
No comments yet. Be the first!