বিএনপি, এখন পর্যন্ত, হয় কনফিউজড দল, না হয়, সচেতনভাবেই হঠকারি কৌশলি হিশেবে নিজেদের সামনে আনছে, অনেকগুলো ইস্যুতেই। যেহেতু বিএনপির প্রতি এত দ্রুত আস্থা হারাতে চাই না, প্রথমটিই ধরে নিতে চাই এবং তাদের রাজনীতি পরিস্কার হোক, সেটি চাই। তারা আরো স্পষ্ট অবস্থান নিক, যে অবস্থানই নিক, এইটা জরুরি। যেমন, আজকেও মির্জা ফখরুল থেকে যখন আওয়ামীলীগের বিষয়ে জিগেশ করা হল, তখন বললেন, ‘এটা আমরা চাইনি এবং যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে যে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেভাবেই এটাকে দেখা হবে সব জায়গায়।’ এর আগে, মেজর হাফিজ কইতেছিলেন কোথাও, কাছাকাছি লেঙ্গুয়েইজ, গণভোট আমরা চাই নাই, কিন্তু বাধ্য হয়ে মেনে নিয়েছি। এরপরে, গণভোট হয়ে গেল, হাঁ বিপুল ভোটে জয়ী হল, কিন্তু গণভোটের এই ম্যান্ডেট নিয়াও তারা একটা কনফিউজিং অবস্থান নিল। শপথ নিল না, এর পরে কী হবে এখনো আম মানুষ, যারা গণভোটে অংশগ্রহণ করল, তাদের কাছে স্পষ্ট নয়। সম্ভবত, জুলাই অভ্যুত্থান বিষয়েও এরকম একটা অনিচ্ছুক দাস, মানে, মেনে নিতে হইছিল বইলা পক্ষ ও বিবৃতি তাদের রেডি থাকবে, দরকারি মুহূর্ত সামাল দেওয়ার জন্য। এইটা একটা রাজনৈতিক দলের জন্য খুবই খারাপ ঘটনা। জনগনের জায়গা থেকে, যারা বিএনপিরে ভোট দিল এবং দিল না, উভয়েই বিএনপির এই অবস্থারে নিয়া একটা রাজনৈতিক গন্তব্যে থির হতে পারবেন না, মোটামুটি প্রতারণা বোধ করবেন। এই প্রতারণাবোধের ব্যাপারটা খারাপ, যে কোন রাজনৈতিক দলের জন্যই। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, রাজনীতি স্রেফ ক্ষমতা দখল ও ধইরা রাখার ব্যবস্থাপনা না, রাজনীতি হল জনগনের কাছে আস্থা ও কনসেন্ট তৈরী, যা তারা অস্পষ্ট রাখছেন। এইটা বেশ খারাপ ঘটনাই।
Rifat Hasan
· 7 months ago
February 23, 2026
10 readers till now, 0 new visits today.
No comments yet. Be the first!