পঞ্চম সংশোধনী ও জিয়াউর রহমানকে যে আদালত অবৈধ বলেছিল, সেই আদালত গণভোটকেও অবৈধ কইতেই পারে। পঞ্চম সংশোধনী ও জিয়ারে অবৈধ কওয়ায় যাদের সমস্যা নেই, গণভোট অধ্যাদেশকেও অবৈধ মানতে তাদের সমস্যা নেই। তবে, আমি মনে করি, গণভোটরে অবৈধ কওয়া জুরসিপ্রুডেন্স সাপোর্ট করে না। আর একটা সমস্যা হল, কোন আদালতই, পঞ্চম সংশোধনী না হলে যে চতুর্থ সংশোধনীর বাকশালে থাইকা যাইত দেশ, তার সুরাহা করে না, তারে নিয়া চুপ থাকারেই নিয়তি ঠিক করে দিয়েছে। ফলে, জুলাই সনদ বাদ দিন, একটা পাথরের মত রিজিড সংবিধান রাইখা হাসিনার পতন পরবর্তি যে পরিস্থিতি, তারে উৎরানোর পথ কী, তারে নিয়া সুমটো কথা কইবে না আদালত। এমন কি এই সংবিধানের এই বাইবেল ও একাট্টা মুজিবিকরণের টাইমেও, হাইকোর্টের সুমটোর নজির নেই। যেহেতু হাইকোর্ট কথা কইবে না, তারে নিয়া কথা কওয়ার দায়িত্ব জনগনের। গণভোট হল জনগনের এই কথা কওয়ার ব্যাপারটাই। ফলে, এইখানে হাইকোর্টের এখতিয়ার নেই, বরং হাইকোর্টের কর্তব্য হল, গণভোটে প্রকাশিত জনগনের কনসেন্টরে প্রটেক্ট করা।
Rifat Hasan
· 7 months ago
March 3, 2026
14 readers till now, 0 new visits today.
No comments yet. Be the first!