স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উর্দু ও চাটগাঁইয়া বোল আমার বেশ পছন্দ ও মিষ্টি লাগে। তবে, উনার ডিসিপ্লিন বোধ হয় আইন, এই অধমের মত। ফলে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইন বিষয়ে কথা কওয়াটা উনার এক্সপার্টাইজের মধ্যেই পড়ে। এতে, বিরোধীদের তেমন কইরা আপত্তির কারণ দেখি না।
তবে, আইনমন্ত্রী যখন জনপরিসর ও সংসদে তার মন্ত্রণালয়ের প্রায় কোন জবাবদিহিতাতেও থাকেন না, এইটা একটা প্রশ্ন তৈরী হবার মত ঘটনাই। আইনমন্ত্রীকে কি অকার্যকর করে রাখা হইতেছে? কোথাও পড়েছিলাম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন সাহেব তারেক রহমানের গৃহশিক্ষক ছিলেন কখনো। যদি তাই হয়, এই ঘটনাটা, কেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহেবের উপরেই বড় ভরসা করছেন সবক্ষেত্রে তারেক রহমান, তার কারণ হিশেবে ভাবা যেতে পারে। এইটা, তারেক রহমানেরই অভিপ্রায় হবে। সেক্ষেত্রে, শিক্ষক হিশেবে তার প্রভাবরে, গত উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্র উপদেষ্টাদের উপর তাদের শিক্ষক আসিফ নজরুলের মত হবার কথা। অবশ্যই, এইটা আপাতত অনুমানই কেবল।
তবে একটা নোক্তা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরে নিয়া শিলং ধরনের আপত্তিগুলো কুৎসামূলক ও অরাজনৈতিক। কোন কোন গোষ্ঠির এইসব আপত্তি, যাতে বিরোধীরা ঘুর্ণাক্ষরেও না আনেন, তাদের প্রতি অনুরোধ। এই ধরনের কুৎসাগুলো, যে কোন নায্য অবস্থানরেও অনায্য করে তুলতে পারে।
বরং, খেয়াল করলাম, তাদের আনিত প্রস্তাব অনুযায়ী জুলাই সনদ নিয়া ৩১ মার্চ আলাপের সময় দেওযার ঘোষণা দিছেন স্পিকার, দুই ঘন্টা। জুলাই সনদ ও গণভোট গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এই আলাপে, তারা যাতে প্রস্তুতি নিয়া কথা বলতে যান, কেউ যাতে অনুপস্থিত না থাকেন সেদিন। খেয়াল করলাম, এই সংসদ প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিরোধী দলীয় নেতা, চিফ হুইপ, এমন কি ডেপুটি স্পিকারের জন্যও প্রথম সংসদীয় অভিজ্ঞতার স্কুল। শুরুতেই কেউ স্কুল ফাঁকি দিলে, এইটা খারাপ হবে।
No comments yet. Be the first!