গোপন, গেরিলা রাজনীতির নানা চেহারা আছে৷ হাসিনার সময়ে, বাংলাদেশে রাজনীতিই ছিল না। সেই সমযে, আমরা রাজনীতি ফিরিযে দেবার আলাপ করতাম। যারা এখন সরকারি দল, সেই বিএনপির কর্মীরাও, তখন গেরিলা রাজনীতিই করেছে। এইটা উনাদের নেতারা অস্বীকার করলেও, মিথ্যা হয় না।
এর পরে, ছাত্রদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থান হল। তখন, অভ্যুত্থানের পরেও, গোপন থাইকা রাজনীতি করারে সমস্যাজনক হিশেবে লোকেইট করেছিলাম আমি৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন একটা ইস্যুতে। এখনও করি।
কিন্তু, আজকের এই ছবিটা দেখেন, একটু আগে, হোমফিড থেকে পেলাম। এইখানে, তারেক রহমানের গুপ্ত, মূলত, কারে উদ্দেশ্য কইরা সামনে এগুতে থাকবে শেষমেষ, তার একটা চেহারা পাবেন।
এই বিষযে তারেক রহমান এওযার তো?
এর মাধ্যমে, তারেক রহমান, মূলত, ছাত্রদলের ভবিষ্যৎ রাজনীতি যেমন, বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনীতির গন্তব্যও ডিফাইন করে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে, তারেক, ছাত্রদলরে, এমন কি নিজেরেও একটা অর্থহীন, প্রতিক্রিয়াশীল ল্যুপে ফেলে দিলেন। এইটা, প্রথম যেদিন শুরু করেছিলেন, নির্বাচনি প্রচারণার দিন, তখন বলেছিলাম।
ছাত্রদল বা তারেক রহমানের কি এর থেকে মুক্তি ঘটবে?
No comments yet. Be the first!