বাঙালি মুসলমানের শেষ ঠিকানা লইয়া একটা ঠাট্টা মশকরা চলছে, দেখলাম। তো, আমার মনে হয়, এই দাবী করতে পারার ব্যাপারটা ধর্ম ধরনের কিছু না হইয়া ইতিহাস পরিক্রমা হইলে ভাল ঘটনাই। বাঙালি মুসলমান কেন রবীন্দ্রনাথের হিন্দু মহাভারতের মত একা একা ব্যাপার না, বরং এইটা পড়তে শেখেন। রবীন্দ্রনাথ মুসলমান, খ্রীস্টান সবাইরে হিন্দু হইতে বলেন, তার মহাভারতে, কারণ হিন্দুত্বই ভারতবর্ষের মানুষের জাতিগত পরিণাম। বিপরীতে, বাঙালি মুসলমানে, এই পরিচয় গুম করতে চাওযা মুসলমানেরা যেমন আছেন, ঠাকুর বাড়ির আর আর অচ্ছ্যুৎরাও আছেন।
ফলে, ইতিহাসে বাঙালি মুসলমান একা একা আসে না।
বাঙালি মুসলমান ব্যাপারটা এমন, এখানে ইতিহাসের নমঃশূদ্র, চণ্ডাল, দলিত, কৃষিজীবী, কাঠুরে, জেলে ও আর আর বর্ণহীন, অনার্য স্বাধীন নৃগোষ্ঠি সমহিমায় বিরাজ করে, বাঙালি মুসলমানের সাথে। এই থাকারে বাদ দিয়া কোন বাঙালি মুসলমান থাকে না, বাঙালি মুসলমান হয়ই না। বাঙালি মুসলমান শব্দের গুরুত্ব এখানেই। পুরো লেখাটা, গুগলে সার্চ দিয়ে পড়তে পারেন। শিরোনাম হল, নমঃশূদ্র ও বাঙালি মুসলমান পাঠ। মধ্যবর্তি বেঞ্চটাতে বহিতেও পাবেন।
পইড়া কমেন্ট কইরেন।
No comments yet. Be the first!