unSocial

ইসলামী ব্যাংকিং ধারণা ও প্রেকটিস নিয়ে আমার অনাস্থা ও অনাগ্রহ আছে প্রচুর। কিন্তু, মনে রাখতে হবে, হাসিনার সময়ে ইসলামী ব্যাংক দখলের যে ঘটনা, এইটা শাহবাগ ও আবুল বারাকাতের প্রজেক্ট ছিল। এই প্রজেক্ট তারেক রহমানও চালিয়ে যেতে চান, এর কারণ কী? এই প্রজেক্টের অংশ হিশেবেই এস আলমের কাছে শেয়ার হস্তান্তর করতে বাধ্য করেছিল হাসিনা। এই দখলিত অবস্থা থেকে মুক্তির পথ তৈরী না করে, তারে আবার লুটেরার পেটের ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে চাচ্ছে তারেক সরকার, এইটা বাজে ঘটনা।

ব্যাংকিং সেক্টরে এই লুটেরাদের অর্থনীতির থেকে বেরুতে না পারলে, বাংলাদেশের মুক্তি নেই। ইসলামী ব্যাংকিং নিয়া আমার সমালোচনা ও অনাগ্রহ পুরনো, কিন্তু, আপনি বা আমি পছন্দ করি আর নাই করি, ইসলামী ব্যাংক অন্য সাধারণ কোন ব্যাংক নয়, এইটারে বাংলাদেশের অন্য ব্যাংকগুলোও মডেল হিশেবে নিয়েছে। বাংলাদেশে এর গ্রাহক সংখ্যা সবচেয়ে বড়, কল্পনাতীত, প্রায় তিন কোটি বা কাছাকাছি। কোন একক ব্যাংক গ্রাহকদের এত বড় অংশের আস্থা বজায় রেখেছে বহু যুগ ধরে, এইটা সাধারণ কোন ঘটনা নয়। অন্য কোন ব্যাংক এই আস্থার আশে পাশেই যেতে পারে নাই। তাদের আস্থাকে আনস্টেবল করা মানে পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলা। এই ঘটনায় বাংলাদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে।

ফলে, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জামাত ও সরকার উভয়ের আত্মপ্রতারণা বন্ধ হওয়া উচিত। রিয়েলিটি মাইনা লওয়া উচিত। এই রিয়েলিটি মাইনা নিয়েই, সরকারেরও জামাত বা ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের কনসার্নকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বিএনপি লুটেরার মালিকানার পক্ষে কথা বলে, কোন এথিক্সে? এই নিয়ে হিজবুত তওহিদ নামে একটি সংগঠনের প্রধান, নাম মনে নেই, উনার রেফারেন্সে বলি। উনি কইতেছিলেন, জামাত নেতাকর্মীদের রক্ত পানি করা টাকা ও শ্রম দিয়ে গড়া ইসলামী ব্যাংক, এই ঘটনা তো ইতিহাসের প্রকাশ্য ঘটনা। জামাত লুকোচুরি করে কেন?

June 11, 2026
36 readers till now, 0 new visits today.

No comments yet. Be the first!