রাষ্ট্র ও সীমানা মানুষকে লঘু করে, সীমান্তের শূন্যরেখায় রবীন্দ্রনাথ ও শুভেন্দুর ইনডিয়া থেকে স্রেফ অসভ্যভাবে বাহির করে দেওয়া ও ফেলে যাওয়া ষষ্টি চন্দ্র বর্মন ও আরো আরো পরিবারকে দেইখা এইসব পুরনো কথাই আবার ভাবতেছিলাম। পুশইন হল ভারতের লজ্জা৷ অবৈধ অনুপ্রবেশের মতো আন্তঃরাষ্ট্রিয় সমস্যার সমাধান পুশইন ও গুলি করে হত্যা দিয়ে করতে চাওয়া তো অসভ্যতাই। কোন কোন ক্ষেত্রে, এইটা মানবতা বিরোধী অপরাধও, যেমন, ফেলানির হত্যা ও বিএসএফের আর আর খুনোখুনিগুলো। কিন্তু, একইভাবে, সীমান্তের প্রান্তরেখায় আটকে থাকা ষষ্টি চন্দ্র বর্মন, যেহেতু বাংলাদেশের নাগরিক প্রমাণ পাওয়া গেল, এইটা, শুভেন্দুর ভারতের সাথে সাথে, বাংলাদেশেরও গাফলতি ও লজ্জা বইলা মনে করি। বর্মন বা রহিম করিম কেন, কী কারণে 'অবৈধভাবে' ভারত যান, এইটা তো একই সাথে, আমাদের সীমান্ত ও নাগরিক সুরক্ষারও ব্যর্থতা। আর, যদি এই ক্ষেত্রে, বর্মণের সংখ্যাই বেশি হয়, তাহলে, এখনকার হিন্দুদের এই সাইকোলজিটা রিরিড করতে হবে। ভারতকে সারা দুনিয়ার হিন্দুরা তীর্থ বইলা মানেন। কিন্তু, তারা নিজেদের তীর্থকে যেভাবে ভাবেন, তীর্থ মশাইয়ের হৃদয় কি ততটা, শুভেন্দুর ভরা গালের মত বড় হইতে সক্ষম? যাই হোক, ষষ্টি চন্দ্র বর্মনের ঘটনা প্রমাণ করছে, শূন্যরেখায় আটকে থাকাদের কেউ কেউ বাংলাদেশি হওয়াও সম্ভব। ফলে, বাংলাদেশ সরকারের উচিত, শূন্যরেখায় আটকে থাকা যে কোন নাগরিকের ব্যাপারে, সর্বোচ্চ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করে পরিচয় নিশ্চিতের মাধ্যমে দ্রুত প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা।
No comments yet. Be the first!