আমাদের নির্মূলের রাজনীতি থেকে বেরুনোর সিদ্ধান্ত নেবার একটা ব্যাপার আছে। এমন কি আওয়ামীলীগের ক্ষেত্রেও। আএয়ামীলীগ বাংলাদেশে একটা চিরস্থায়ী শত্রুব্যবস্থা, নির্মূল ও এক ধরনের খতমের রাজনীতি জারি রেখেছিল স্বাধীনতার পর থিকা। এইটারে আমি মুজিবের তৈরী করে দেওয়া ধর্মযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত করেই পড়ি। আমাদের এই ধর্মযুদ্ধ থিকা বেরুনোর ব্যাপার আঠে। আমরা এদেশের জনগনের মধ্যে এই ধরনের একটা টিরস্থায়ী শত্রু ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিরোধী।
নিবন্ধন ফিরে পাওয়ায় জামাতকে অভিনন্দন। কিন্তু, আমি একই সাথে জামাত এবং জামাতের নেতাদের প্রতি হওয়া ঐতিহাসিক অনায্যতা, উভয়ের বিলোপ কামনা করি। কেন না, জামাত কখনোই একাত্তর পেরুতে পারবে না। এটাকে আমি বলি হল মুজিবের ধর্মযুদ্ধের অবসান।
ধর্মযুদ্ধ থেকে বেরোন। একাত্তর প্রশ্নে বামপন্থীদের এই ধর্মযুদ্ধ মুজিবের তৈরী করে দেওয়া। একাত্তরে বাংলাদেশের অভ্যুদ্যয়ের বিরোধিতা ও কোলাবরেশন ইস্যুতে জামাত ও অন্যান্য দলগুলোর বিরুদ্ধে স্টেপ নেওযার সুযোগ ছিল, যা এড়িয়েছেন মুজিব। বরং ধর্মভিত্তিক রাজনীতি প্রশ্নে জামাত ও অন্য ইসলামী দলগুলো নিষিদ্ধ করেছিলেন মুজিব, যেহেতু ধর্মরেই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি ও মোকাবেলার বিষয় হিশেবে নিযেছিলেন তিনি, কোলাবরেশন ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার চেয়ে। এই স্টেপের মাধ্যমে, একাত্তরে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদ্যয়ের বিরোধিতা ও কোলাবরেশন ইস্যুর যে কোন রকমের বিচাররে ধর্মযুদ্ধে রূপান্তরিত করেছিলেন মুজিব। এই ধর্মযুদ্ধের সিলসিলা হিশেবেই, পরে, তেরর শাহবাগ যুদ্ধাপরাধ না, বাংলাদেশে ফেনোমেনন হিশেবে পলিটিকাল ইসলাম মোকাবেলার টুল হিশেবেই শুরু হইছিল, যার থেকে বেরুতে রাজী না বামপন্থীরা। আমাদের এই মুজিবের ধর্মযুদ্ধ থেকে বেরুনো দরকার।