unSocial

একটা নিউজ দেখে, একটু কইরা মনে হল, হাসিনার সময়ে ঢুকে যাচ্ছি না তো আবারও? প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে 'অপপ্রচারে'র জন্য একজনকে গ্রেফতার ও আদালতে নিয়ে গেল পুলিশ। জানা যাচ্ছে, এই গ্রেফতারকৃত ভদ্রলোক জামায়াত সমর্থক। আমি জানি না, এই 'অপপ্রচার' এর ধরনটা কেমন। এর সংজ্ঞা জানতে পারলে ভাল হত।

ধরুন, আমি প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারের কঠিন সমালোচক। এবং, মনে করি, প্রত্যেক নাগরিকের এই নিরঙ্কুশ অধিকার থাকা দরকার। এবং, একই সাথে, শুধু প্রধানমন্ত্রী নয়, যে কাউরে নিয়াই, যে কোন মাধ্যমে মিসইনফরমেশন ছড়ানোরে অপরাধ সাব্যস্ত করারও পক্ষে আমি, সব সময়েই।

এজন্য, সবার আগে, এই জায়গায় সবচাইতে স্পর্শকাতর অথরিটিরে লোকেইট করা দরকার। এইটা হল গণমাধ্যম, যে মিথ্যার উপরও আস্থা তৈরী করতে সক্ষম। ফলে, আমি বাংলাদেশে মিডিয়াগুলোর ব্যাপারে স্পষ্ট, পরিস্কার দেখা যায়, এমন নীতিমালা ও মিসইনফরমেশনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে। যদি, এই গ্রেফতারকৃত ভদ্রলোক মেলাফাইড ইনটেনশন নিয়ে মিসইনফরমেশন ছড়িয়ে থাকেন, তার জন্য এই গ্রেফতার হয়তো ততো ইভিল না, যদি এজন্য প্রপার আইন ডিফাইন করা থাকে।

তবে, আমার সন্দেহ হল, এইটা মিসইনফরমেশনের চাইতেও, ভাবমূর্তি বিষয়ক আগ্রহ। অতি উৎসাহী বিএনপি সমর্থক পুলিশ বা সাধারণ সমর্থক বা অন্য কোন মতলববাজের কাণ্ড। গ্রেফতারকৃত ভদ্রলোকের চেহারাও দেখেছি, সাধারণ গরিব মানুষের মত। আমার পরামর্শ হল, পুলিশ ও নিজ দলের সমর্থকদের এই অতি উৎসাহগুলোরে পাত্তা দিলে আর একটা হাসিনাব্যবস্থাই তৈরী হবে। বরং পরামর্শ দেব, শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য মিডিয়া ও ব্যক্তির জন্য নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করুন।

মিডিয়াগুলো মিসইনফরমেশন ছড়ানো বন্ধ হলে, অন্যদেরগুলো আপনি কমে যাবে। দেখবেন, প্রায় মিসইনফরমেশনগুলোর সোর্স হল মিডিয়া, যারে কোন ক্ষমতাই ধরতে ছুঁতে চায় না। বিপরীতে, গরিব সাধারণ মানুষকে ধরতে চায়, মূলত, ক্ষমতার ব্যাপারে ভয় ছড়াতে। ভয় ছড়ায়েন না। ভয় ক্ষমতারে অনায্য ও ভঙ্গুর করে তোলে, সে আপনি যত জন-সমর্থন নিয়াই ক্ষমতায় আসেন না কেন।

আর একটা গুড প্রেক্টিসের কথা বলি। এই ধরনের অপরাধের জন্য, ব্যবস্থার শুরুটা বিরোধী সমর্থকদের বিরুদ্ধে কইরেন না। আরো ভাল হল, প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিরে এই জাগায় কখনোই ব্যবহার কইরেন না। উনি সর্বংসহা হবেন। গ্রেফতারের চাইতে, এইটা বেটার রাজনীতি। ফলে, আমার পরামর্শ হল, এই গ্রেফতারকৃত ভদ্রলোককে তারেক রহমান এখনই মুক্তি দেবেন ও পুলিশ প্রশাসনকে এই ধরনের মামলাবাজির ব্যাপারে সতর্ক করবেন।

Show more
March 29, 2026
10 readers till now, 0 new visits today.

ধরুন, আপনার হাতে অস্ত্র আছে। খুন করবেন, বা মারবেন। আমি খেয়াল করি যে, অস্ত্রের নিজস্ব স্বভাব আছে মারার, বা সৌর্য ও বীর্য প্রকাশের। এইটা একটা চেরাগের দৈত্যের মতো। কিছুই না থাকলেও, মারার কাউরে না পেলেও, তার হাত পাও নিশপিশ করে খুনের জন্য। ফলে, এরকম মুহূর্তে, আপনি কাকে খুন করবেন বা মারবেন? এই কথা মনে এল, গতকাল একটা মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলের উপরে যখন একের পর এক পুলিশ আইসা পেটাচ্ছে, আর ছেলেটি স্থির বরফখণ্ডের মতো দাঁড়িয়ে আছে, স্থির, প্রশান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে, এই দৃশ্য দেইখা। আমার উনারে যিশু খ্রীষ্টের মত লাগল, যিনি খুনকে মেনে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেউ কেউ জিগেশ করছে, পুলিশ কেন পেটাচ্ছে। এর তেমন কইরা উত্তর নেই আসলে। যেমন, তারা ব্যক্তিগতভাবে হয়তো এই আন্দোলনকারীদের উপরে সামনে পেলেই কোন এক পুরনো স্মৃতির রিভেইঞ্জ নেওয়ার কথা ভাবেন। সেই পুরনো স্মৃতি কী? বা, ওরা হয়তো মাদ্রাসা ছাত্র দেইখাই মারা জরুরি মনে করছে। মাদ্রাসার ছেলেদেরকে মারা তো জরুরিই। অথবা, ওদেরেকে বলা হইছে, ভয় ছড়িয়ে দিতে। পুলিশ কমিশনারের ভিডিও দেখলাম, মারার নির্দেশ দিচ্ছেন নানান ভাবে। অথবা, আরও প্রচুর ভাবা যায়। এইসব তো আছেই। কিন্তু, এইসবের সাথে সাথে, আমার মনে হল, উনারা অস্ত্রের স্বভাববশত পেটাচ্ছেন। চেরাগের দৈত্যের মত, যার কোন কাজ দরকার। আমি দেখলাম, একটা বাস থামিয়ে যাত্রীদেরে নামিয়ে পেটাচ্ছে পুলিশ। লোকগুলো বলছে, ভাই আমরা তো যাত্রী, আন্দোলনকারী না, আমাদেরে পেটাচ্ছেন কেন? পুলিশগুলো আরো এগ্রেসিভ হয়ে পেটাতে থাকল। এক যাত্রী দুই হাত তুলে ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিতে বইসা থাকল। এই যে ক্ষমা চাইল, ক্ষমা যে চাইতে হল, ক্ষমা চাইতে হবেই, এর কোন উত্তর আপনি পাবেন না কোন রাষ্ট্রীয় পুঁথিপত্রে। রাষ্ট্রের সাথে আমাদের চুক্তিটা কী ছিল? এই আলাদীনের দৈত্যের লাইসেন্স আমরা কি আমরা দিয়েছিলাম রাষ্ট্রের কাছে? এক সাংবাদিক, যাত্রীদের পক্ষ হয়ে হামলার কারণ জিগেশ করায়, তারেও পেটানো শুরু হল। দেখেন, এই পুলিশ হাসিনার না। কিন্তু, হাসিনার পুলিশ কি আসলেই না? বা, হাসিনার পুলিশ ব্যাপারটা আসলে কী ছিল?

Show more
February 7, 2026
10 readers till now, 0 new visits today.

কঠিন কিছু কথা বলি।

ইন্টালেকচুয়াল ডিসকাশনের চাইতে গণসংলাপ দরকার। এখনকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ইন্টালেকচুয়ালদের হলরুমগুলো হইল ছোট ছোট ব্যাঙাচির কুয়া, আর তার ভেতরের অফুরন্ত বুদবুদ। এই বুদবুদ থিকা বের হয়ে জনগনের সাথেও কথা বলুন। জুলাই জেনোসাইডের পরে আওয়ামীলীগ রাজনীতির অধিকার আছে কিনা, তার সিদ্ধান্ত প্রশ্নে কেবল বিএনপি আর জামাতের ছোট বড় কায়েমি নেতা আর ব্যবসায়ীরাই স্টেকহোল্ডার না। স্টেকহোল্ডার সাধারণ মানুষ। প্রয়োজনে তার জন্য গণভোটের ডাক দিন। তারপরে দেখুন, এমন কি বিএনপির সাধারণ কর্মী সমর্থকরাও, আর আম জনতা বইলা যে ব্যাপার আছে, তারা কী রায় দেয়।

ইন্টালেকচুয়াল আলাপ আমরা গত ষোল বছর বইসা বইসা করছি। আমাদের সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও রাজনীতি এখনও যদি স্পষ্ট না হয়, এখন আর আপনাদের বুদবুদ শুনে কাজ নেই। আপনারা আবার একই সা-রে-গা-মা-পা-তে নাকানি চুবানি খাইতেছেন, এর অর্থ পুরনো ফুলের বাগানের প্রতি আপনি স্মৃতিকাতর, যা আমরা হাসিনার আমলে ফেলে আসছি। মেনে নিন, তা আর ফিরে আসবে না।

সবচেয়ে দুঃখের ব্যাপার হল, একটা গণবিপ্লবের পর যারা ক্ষমতায় আসলেন, আর যারা ক্ষমতায় আসতে চাইতেছেন ভবিষ্যতে, তারা সবাই নিজের নিজের বহুদূরের দ্বীপে বইসা কথা কইতেছেন ও সিদ্ধান্ত নিতেছেন, যেন আশে পাশে কেউ নেই। মানুষের অভিপ্রায় জানতে কেউ একটা গণসংলাপের আয়োজন করা জরুরি মনে করে নাই। এই দ্বীপটা ভাঙুন। মানুষের অভিপ্রায় জানতে, সবার আগে গণসংলাপ ডাকুন ও জেনোসাইডের বিচার ও নতুন সংবিধান প্রশ্নে গণভোট আহবান করুন।

// এই লেখাটা #শেয়ার করুন ও #ছড়িয়ে দিন।

Show more
November 21, 2024
22 readers till now, 0 new visits today.

'শেখ হাসিনা নেই', তাইতেই খুশি এবং ফিদা, এরকম সরল একদল, হা হা, রাষ্ট্রচিন্তক ও একটিভিস্ট আছেন। তারা কী নিয়া খুশি আল্লাহ মালুম।

গতকাল রাতে এরকম এক সরল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বন্ধুর সাথে দেখা হল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, যিনি ভাবুকও, যার হোপ হল দেশ স্রেফ হাসিনার অনুপস্থিতির কারণেই আগামী দশ বছরে বড় উচ্চতায় পৌঁছাবে। আর কিচ্ছু লাগবে না।

আজকে বাংলা আউটলুকের একটা শো চোখের সামনে পড়ায় শেষাংশে ক্লিক করলাম, যেহেতু বড় ভিডিও দেখব না, যেখানে হোস্ট দিলশানা পারুলও জানাচ্ছেন, শেখ হাসিনা নেই, তাইতেই খুশি তিনি। আর কিচ্ছু দরকার নেই। আর, এই দরকার নেই এর নমুনা হল, একটা ইন্টারিম গভর্নমেন্ট এর স্কোপ তো এত কিছু না, কেন এই সরকাররে নিয়া আমরা নির্বাচনের বাইরে এত দায় দিয়া কথা বলতে চাইতেছি, দিলশানা এইটা নিয়া উদ্ভিগ্ন।

দিলশানার টক শোতে আরো দুইজন অতিথি ছিলেন, জিয়া হাসান আর ফাহাম আবদুস সালাম। এইখানে, জিয়া, দেখলাম, আমার আফটারফ্যাসিস্ট মেনিফেস্টোর একটা ধারণা আংশিকভাবে এডপ্ট করেছেন, অভিভাবক কাউন্সিল, এইটার উনি নাম দিয়েছেন, 'বিপ্লবী রাজনৈতিক পরামর্শ কাউন্সিল' বা এরকম কিছু। প্রথমত, খুশি হওয়া ঘটনাই, কারণ আমি একা একা রাষ্ট্র ও সংবিধান ধারণার বিরোধী ও আফটারফেসিস্ট মেনিফেস্টোর ছড়িয়ে পড়ার পক্ষে।

কিন্তু, জিয়ার এই প্রস্তাব পইড়া কেন আমি খুশির পরিবর্তে ভয় পেতে চাই? তা বুঝতে, আগে আমার অভিভাবক কাউন্সিলের সাথে জিয়ার এই প্রস্তাবের সবচেয়ে মৌলিক পার্থক্যটা বুঝি। সবচেয়ে মৌলিক প্রার্থক্য হল, জিয়া চুপ্পু ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার এডভোকেট হিশেবেই এই প্রস্তাব দিচ্ছেন, আর সরকারে ছাত্রদের আধিপত্য তৈরী হইছে এবং তা কমাতে হবে, এই অনুমান থেকে। আর আমার ইমাম হল জনগনের সার্বভৌম ইচ্ছা ও কনসেন্ট, যে সভারেন কনসেন্ট সব বৈধতার সোর্স। যে সার্বভৈৗম ইচ্ছার কারণেই জুলাই জনঅভ্যুত্থান ও রাষ্ট্রের উপর জনগনের মালিকানা রিক্লেইম করার মুহূর্ত তৈরী হয়েছে বইলা দাবী করি আমি। অবশ্যই, আমার এই 'মালিকানা রিক্লেইম' করার মুহূর্তের দাবিরে জিয়া কয়েকদিন আগে আজিব কইয়া নাকচ করা জরুরি মনে করেছিলেন, তার সাম্প্রতিক কন্সপিরেসি থিওরিগুলোর প্রস্তাবনায়। মানে এই মুহূর্ত জিয়া ধরতেই পারেন নাই, বা ধরতে প্রস্তুত না। মানে জনগনের মারিকানা বইলা কিছু জিয়া ভাবতে সক্ষম বা প্রস্তুত না।

বিপরীতে, আমার প্রস্তাবিত অভিভাবক কাউন্সিল পরামর্শক মাত্র নয়, কর্তা। অভ্যুত্থানেরও কর্তা তারাই।

আর, জিয়ার 'বিপ্লবী রাজনৈতিক পরামর্শ কাউন্সিল' হল মূলত নামের ঠুয়া, আদতে কোন সভারেন কনসেন্ট এর অথরিটি না। ফলে, চুপ্পুর ইমামতিতে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ভেতরের একটা এক্সপার্ট কাউন্সিল মাত্র। যদিও জিয়া, 'নানান প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে' এই কাউন্সিল গঠন করতে বলতেছেন। কী মনে কইরা, আল্লাহ মালুম। একটা অনুমান এরকম সম্ভব, স্টেক হোল্ডার হিশেবে নানান রাজনৈতিক দল ও ইন্টালেকচুয়ালের নাম উচ্চারণ কইরা তাদের জন্য একটা কমফোর্ট জোনে রাইখা সমর্থন খোঁজা। এরকমই কি? পাশাপাশি, জিয়ার মূল গন্তব্য যেটি দেখা গেল, প্রধান উপদেষ্টার অফিসের উপরে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রভাব কমানো, পাশাপাশি, ছাত্রদের বিষয়ে বিএনপি আর আর্মির মধ্যে একটা ভয়ের পরিবেশ তৈরী। এইটারে আমি খারাপ মতলব হিশেবে পড়লাম ও আপনাদেরকেও পড়তে বলি। আমার ধারণা, বিএনপিরও একটা ছোট অংশের এই ধরনের আগ্রহ থাকতে পারে, যারে আমরা এখন মিডিয়ায় সরব দেখতে পাইতেছি। জিয়া কি এই অংশের স্পোকসম্যান?

জিয়ার এইসব আলাপের টুল হল কন্সপিরেসি, যেটিরে আমি বেশ খারাপ টুল হিশেবেই পড়ি। কন্সপিরেসি দিয়ে একটা কুয়া তৈরী করছেন জিয়া এন্ড তার বন্ধুরা। ফাহামও জিয়ার এইসব আলাপে 'আই টোটালি এগ্রি' বলেছেন দেখলাম। এই জেশ্চারকে পড়া সম্ভব। এইটা, হয়ত ভবিষ্যত ক্ষমতাকেন্দ্রের চরিত্রের ইশারা। এই ইশারা লইয়া আমি সম্বিত থাকতে চাই।

বিপরীতে, আমার প্রস্তাব ছিল, যেটি আমি আগস্টের শেষ দিকে এবং অক্টোবরের শুরুর দিকে বিভিন্ন সেমিনারে কি নোট ও বক্তৃতা আকারে পড়েছি ও আফটার ফ্যাসিস্ট সাইটে পাবেন—

এক. অভ্যুত্থানের প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য, অন্তর্বর্তি সরকারকে জাতীয় ও অভ্যুত্থানের সরকারে রূপান্তর করতে হবে।

দুই. এর জন্য, প্রাথমিকভাবে, জন অভ্যুত্থান ও দীর্ঘদিন ধরে চলা ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের পক্ষগুলোর একটা সমন্বিত কনসেন্ট ও বিপ্লবী দলিল তৈরি হতে হবে। যে দলিলে আমাদের সামাজিক চুক্তি আর গণঅভ্যুত্থানে আমাদের যে নতুন ন্যাশনাল হোপ তৈরী হইছে, তা ডিফাইন হবে, এবং জনঅভুত্থানের সর্বদলীয় রূপরেখা হবে এটি।

তিন. এই দলিল তৈরীর জন্য জনঅভ্যুত্থানের ছাত্রনেতৃত্ব এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের লড়াইরত দলগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটা সর্বদলীয় অভিভাবক কাউন্সিল করতে হবে। ছাত্রদের যে লিয়াজোঁ কমিটি আছে, তারে বাতিল করে, বা এই কমিটিসহই অন্তর্ভূক্ত হয়ে, দ্রুতই এই সর্বদলীয় অভিভাবক কাউন্সিল গঠন করতে হবে। এই অভিভাবক কাউন্সিলের পরামর্শেই অভ্যুত্থানের সরকার চলবে। এখন যারা উপদেষ্টা আছেন, তারা একই ক্ষমতায় এডমিনিস্ট্রেটিভ নির্বাহী থাকবেন, যদি বহাল থাকেন। আর, উপরের এই সর্বদলীয় অভিভাবক কাউন্সিলই হবে মূলত উপদেষ্টা পরিষদ, যাদের পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করাই অভ্যুত্থানের নির্বাহি সরকারের কাজ। এই পদক্ষেপের মাধ্যমেই এই অন্তর্বর্তি সরকার জাতীয় সরকারে পরিণত হবে। এই অভিভাবক কাউন্সিলই সরকারের স্কোপ ও টাইমলাইনগুলো ডিফাইন করবে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে।

(আফটার ফ্যাসিস্ট পলিটিক্যাল মেনিফেস্টো: রিফাত হাসান। ২৮ আগস্ট, ২০২৪)

Dilshana Parul Zia Hassan Faham Abdus Salam

Show more
October 28, 2024
12 readers till now, 0 new visits today.