unSocial

ইসলামী ব্যাংকিং ধারণা ও প্রেকটিস নিয়ে আমার অনাস্থা ও অনাগ্রহ আছে প্রচুর। কিন্তু, মনে রাখতে হবে, হাসিনার সময়ে ইসলামী ব্যাংক দখলের যে ঘটনা, এইটা শাহবাগ ও আবুল বারাকাতের প্রজেক্ট ছিল। এই প্রজেক্ট তারেক রহমানও চালিয়ে যেতে চান, এর কারণ কী? এই প্রজেক্টের অংশ হিশেবেই এস আলমের কাছে শেয়ার হস্তান্তর করতে বাধ্য করেছিল হাসিনা। এই দখলিত অবস্থা থেকে মুক্তির পথ তৈরী না করে, তারে আবার লুটেরার পেটের ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে চাচ্ছে তারেক সরকার, এইটা বাজে ঘটনা।

ব্যাংকিং সেক্টরে এই লুটেরাদের অর্থনীতির থেকে বেরুতে না পারলে, বাংলাদেশের মুক্তি নেই। ইসলামী ব্যাংকিং নিয়া আমার সমালোচনা ও অনাগ্রহ পুরনো, কিন্তু, আপনি বা আমি পছন্দ করি আর নাই করি, ইসলামী ব্যাংক অন্য সাধারণ কোন ব্যাংক নয়, এইটারে বাংলাদেশের অন্য ব্যাংকগুলোও মডেল হিশেবে নিয়েছে। বাংলাদেশে এর গ্রাহক সংখ্যা সবচেয়ে বড়, কল্পনাতীত, প্রায় তিন কোটি বা কাছাকাছি। কোন একক ব্যাংক গ্রাহকদের এত বড় অংশের আস্থা বজায় রেখেছে বহু যুগ ধরে, এইটা সাধারণ কোন ঘটনা নয়। অন্য কোন ব্যাংক এই আস্থার আশে পাশেই যেতে পারে নাই। তাদের আস্থাকে আনস্টেবল করা মানে পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলা। এই ঘটনায় বাংলাদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে।

ফলে, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জামাত ও সরকার উভয়ের আত্মপ্রতারণা বন্ধ হওয়া উচিত। রিয়েলিটি মাইনা লওয়া উচিত। এই রিয়েলিটি মাইনা নিয়েই, সরকারেরও জামাত বা ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের কনসার্নকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বিএনপি লুটেরার মালিকানার পক্ষে কথা বলে, কোন এথিক্সে? এই নিয়ে হিজবুত তওহিদ নামে একটি সংগঠনের প্রধান, নাম মনে নেই, উনার রেফারেন্সে বলি। উনি কইতেছিলেন, জামাত নেতাকর্মীদের রক্ত পানি করা টাকা ও শ্রম দিয়ে গড়া ইসলামী ব্যাংক, এই ঘটনা তো ইতিহাসের প্রকাশ্য ঘটনা। জামাত লুকোচুরি করে কেন?

Show more
June 11, 2026
37 readers till now, 0 new visits today.

তথ্য এজ আইডিওলজি।

তথ্য মোটামুটি একটা আইডিওলজিই। সাংবাদিক সায়ের যখন যুদ্ধাপরাধ বিচারে রায় হওয়া চৌধুরী মঈনুদ্দিনকে 'The alleged war criminal' উল্লেখ করে তেরর আল জাজিরার রিপোর্ট/ সাক্ষাৎকার শেয়ার করলেন, তখন থেকে তার তথ্যের ট্রুথ কারেন্সি জামাত শিবিরের লোকেদের কাছে কমা শুরু হল। আমি টের পাচ্ছিলাম। এর আগে, তিনি যখন যখন জুলাই জাগরণের 'হিরো' রিভিল করছিলেন, তখন সায়ের ছিলেন তাদের কাছে ওহির মত। তো, গতকালকেই, একই সময়ে, 'কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ছবি' শিরোনামেও পোস্টার করলেন সায়ের, কিছু ডিটেইল না লিখে, শুধু গোপন ট্রুথ রিভিলের ভঙ্গিতেই। এইখানেও কিছু জনপ্রিয় চেহারার নাম আসল যখন, সেই গ্রুপের কাছে তার ট্রুথ কারেন্সি আরো কমতে থাকল।

ট্রুথ ব্যাপারটা এরকমই। এতদিন পর্যন্ত বিএনপি জামাত নির্বিশেষে ক্ষমতায় সায়েরের রিভিল করা (এবং সম্ভবত তাসনীম খলিলেরও) একটা গ্রুপের নাম নিয়ে ডেমনাইজ করত ও তাদেরকে প্রতিরোধের কথা বলত। এইবার, যখন নিজ নিজ পছন্দ ও আইডিওলজির লোকেরা আসল, অন্তত দুজনের ব্যাপারে দেখলাম অনেকের বেশ আপত্তি, একজন উপদেষ্টা ফাউজুল কবির, আর একজন নজরুল ইন্সটিটিউটের লতিফুল ইসলাম শিবলী। এমন কি কিছু পোস্ট এরকমও দেখলাম, তার প্রচারিত লিস্টের সবাই ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী, ফলে এই প্রচারণারে তারা সন্দেহ করতে চায়। ফলে, তথ্য ব্যাপারটা এরকমই। আপনার পছন্দের 'সত্যে'র কাছে দায়বদ্ধ।

সায়ের গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক নিঃসন্দেহে, কিন্তু তার ব্যাপারে এই অভিযোগ তো আছেই, যে, তিনি একটা নির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থার পছন্দের তথ্য রিভিলের দায় নেন। ফলে, সায়ের যখন জুলাই জাগরণের 'হিরো' রিভিল করছিলেন, তাও আপনার পছন্দের 'সত্য' ছিল বইলাই ওহির মর্যাদা পাইছিল। সেই সমযেই এই ওহির শানে নুজুল ও পলিটিকস সম্পর্কে সতর্ক থাকার কথা কইছিলাম। ফলে, সেই তথ্যও ট্রুথের চাইতে, গুরুত্বপূর্ণ হল, কোন কনসেন্ট মেনুফেকচার করতে চায়, তা। এর বাইরে নিউজ বা ট্রুথ বলতে কিছু নেই আসলে। সাযের, এমন কি কোন মিডিয়াও কখনও 'সত্য' বলে না। 'সত্য' মেনুফেকচার করে। কোন 'সত্য'টি ন্যায়ানুগ, কেবল তা আপনারে খুঁজে নিতে হয়।

/ গত বছর এই দিনে লেখা।

Show more
May 24, 2026
11 readers till now, 0 new visits today.

'গণআন্দোলন, যেইটা শেষে অভ্যুত্থানে রূপান্তরিত হলো, এইটারে নিয়ে আমার প্রথম বোঝাপড়া হলো, এইটা রাজনৈতিক দলগুলোর ছিল না তেমন কইরা, বহুদিন ধরে রাজনৈতিক দলগুলোর অনুপস্থিতিতে রাজপথে তৈরি হতে থাকা ছাত্রদের ছিল। এরা বহুদিন ধরে তৈরী হয়েছে, রাজপথে, একা একা, রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরেই, নানান চেহারায়। সর্বশেষ, জুলাইয়ে নিজেদের আন্দোলনকে ওরা গণের করে তুলতে পেরেছে এবং সাধারণ মানুষের দুয়ার পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছে, মিথের কেন্দ্র ও কাবাগুলো ভেঙেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলন। এবং দ্বিধান্বিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বাধ্য করেছে রাজপথে নামতে। রাজনৈতিক দলগুলো, এক প্রকার বাধ্য হয়েই, প্রকাশ্যে নানান রকমভাবে অস্বীকার করতে করতে, এক প্রকার হীনম্মন্যভাবে রাজপথে নেমেছে, পরিচয়হীনভাবে, যাতে দরকারে নিয়মতান্ত্রিক পরিচয়ে ফেরত আসতে পারে, আবার, সফল হলে এর ফলাফলরে ঘরে তুলতে পারে। যাদের এই পরিকল্পনা ছিল না, তারা শহিদ হয়েছেন এবং প্রকাশ্যে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাদের কোনো গোপন ব্যাপার ছিল না। ফলে অভ্যুত্থান সফল হলো এবং ফ্যাসিস্টের পতন হয়ে গেল। এই জায়গা থেকেই আমি এর পরের বাংলাদেশ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সংকট ও দ্বিধাগুলোকে দেখি।'

/ কয়েকদিন এখান থেকে আরো কিছু পোস্টার কার্ড শেয়ার দেবো। কমেন্টে পুরো ইন্টারভিউর লিঙ্ক। পইড়া কমেন্ট ও শেয়ার কইরেন।

Show more
May 23, 2026
37 readers till now, 0 new visits today.

‘দেখুন, আমরা যে সোসাইটিতে আছি, তার রুহ হলো ধর্ম। এখানকার বৃহৎ জনগোষ্ঠী মুসলমান। হিন্দু আর বৌদ্ধরাও আছে প্রচুর পরিমাণে। দেখবেন, তাদের চরিত্র হলো ধার্মিক। ধর্মীয় ভ্যালুগুলো প্রাধান্য পায় জীবনযাপন ও সব মীমাংসায়, কিন্তু, এখানকার মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ সবাই একটা টলারেন্ট সোসাইটি ও স্পিরিচুয়াল মাইন্ড বিলং করে। এখানকার মুসলমানদের যে পরিচয়, তারে আমরা বাঙালি মুসলমান বলি। এই বাঙালি মুসলমান ব্যাপারটা এমন, এখানে আরব থেকে আগতরা ব্যবসায়ি ও সুফিরা যেমন, ইতিহাসের নমঃশূদ্র, চণ্ডাল, দলিত, কৃষিজীবী, কাঠুরে, জেলে ও আর আর বর্ণহীন, অনার্য স্বাধীন নৃগোষ্ঠীও সমহিমায় বিরাজ করে, বাঙালি মুসলমানের সঙ্গে। ফলে, দেখবেন, পাশের দেশ ভারতে যে ধর্মীয় ইনটলারেন্স, উগ্রতা, গরুর গোশত খাওয়ার অপরাধে পিটিয়ে মানুষ খুন, এরকম আমাদের নেই। একটা চমৎকার স্পিরিচুয়াল মাইন্ড এবং ধর্মীয় সহাবস্থান, এখানে পাশাপাশি চলে। মানে, ধার্মিক হলেও, মুআমেলাতে সেক্যুলার থাকতে পারি আমরা।’

/ কয়েকদিন এখান থেকে আরো কিছু পোস্টার কার্ড শেয়ার দেবো। কমেন্টে পুরো ইন্টারভিউর লিঙ্ক। পইড়া কমেন্ট কইরেন।

Show more
May 20, 2026
39 readers till now, 0 new visits today.

খুশি হওয়ার মত বিজ্ঞাপন, মেমোরি থিকা আসল, গত বছরের। সত্যিই কি শেয়ার হয়? না হইলেও আমি খুশি হইছিলাম, কারণ, এরপর থিকা হবে। আপনারা এরকম প্রচুর বিজ্ঞাপন কইরেন। আমার চোখে পড়লে শেয়ার করার চেষ্টা করব। বিজ্ঞাপন তো দরকারি ঘটনা।

May 16, 2026
36 readers till now, 0 new visits today.

বিএনপিতে, খেয়াল করেছি, হযরত ফজলুর রহমানের চাইতে বড় মুক্তিযোদ্ধা নেই। বাকি যারা আছেন, তারা, প্রায় সবাই কিশোর মুক্তিযোদ্ধা হবেন। যেমন, আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনাযেদ সাকী, বা সংসদে এক এমপির দাবী অনুযায়ী, হযরত তারেক রহমানও।

তো, এই ফজলুর রহমান সাহেব, গুরুত্বপূর্ণ বিএনপি নেতা ও অধুনা সেলিব্রেটেড মুক্তিযোদ্ধা, বলা হচ্ছে, রণাঙ্গনে কখনোই যুদ্ধে ছিলেন না। যিনি এ দাবী করেছেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন কিশোরগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার বলা হচ্ছে যদিও, এই দাবী নিয়া আমার কম আগ্রহ। কারণ, দেখবেন, মুক্তিযুদ্ধের আওয়ামী ইতিহাস প্রকল্পের পুরোটাই এরকম অসংখ্য ব্লাফে ভরা, যেখানে আমাদের গণমুক্তিযুদ্ধ, চাষাভুষাদের মুক্তিযুদ্ধ গরহাজির থাকে, আর তারাই সেলিব্রেটেড থাকে।

তো, গত বছর আগস্টে, মুজিব বাহিনীর মুক্তিযুদ্ধটি কেমন ছিল, তারে নিয়া আমার ভাবনা লিখেছিলাম। এখন, এই লেখাটিই আবার শেয়ার করবার লোভ হল এখানে। এই লেখায় মুজিব বাহিনীর সংগঠক আব্দুর রাজ্জাকের বরাত নিয়েছিলাম, যেখানে তিনি বলেছেন, তারা সশস্ত্র যুদ্ধে যাবার আগেই দেশ স্বাধীন হয়ে গেছিল। সম্ভবত এই ইন্টারভিউ, মোহাম্মদ রোমেল এর বানান এর নেওয়া ছিল। ফলে, ফজলু সাহেব, যেহেতু মুজিব বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন বলা হয়, উনার রণাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধের গল্প ব্লাফ হবার সম্ভাবনাই বেশি, উনার হার্টথ্রুব সমর্থকদের মুক্তিযুদ্ধের মতই। ফজলুর মুক্তিযুদ্ধ নিয়া, দেখলাম, আজকের এই কমান্ডার সাহেবও একই কথা জানালেন, যে, ওরা ট্রেনিং শেষ করে দেশে ফেরার আগেই মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে গেছিল।

.....

মুক্তিযুদ্ধের ইন্ডিয়ান বয়ান, ভাষা ও নির্মাণ
/ আগস্ট ২৮, ২০২৫
...

মুক্তিযুদ্ধের ইন্ডিয়ান বয়ান, ভাষা ও নির্মাণের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই আমাদের গণমুক্তিযুদ্ধ ছিল। একাত্তরেও, এখনো। মুজিব বাহিনীর রাজনীতি এই জায়গায় কী ছিল, তা নিয়া ইতিহাস পরিস্কার কিছু বলে না। কিন্তু, অনেকগুলো ঘটনা দেখে মনে হয়, 'মুজিববাহিনী' একটা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ব্যাপারই ছিল, চাষাভুষা ফকিন্নির পোলাদের গেরিলা বাহিনীর গণমুক্তিযুদ্ধের বিপরীতে। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র, বৈদ্যনাথতলার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জেনারেল ওসমানির কর্তৃত্ব স্বীকার না কইরাই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার স্পেশাল ট্রেনিংয়ের অংশ ছিল মুজিববাহিনী। যদিও, অন্যান্য বাহিনীগুলোও র এর আন্ডারেই প্রশিক্ষণ নিত, কিন্তু, মুজিবনগর সরকারের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখে এবং উপেক্ষা করে মুজিব বাহিনী স্রেফ ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একক নিয়ন্ত্রণের একটা গুপ্ত সংগঠনই ছিল। দেখলাম, এইটা যে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ঘটনাই, তারে নিয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরী, চরমপত্রের এম আর আখতার মুকুল আর এ কে খন্দকার সাহেবও কাছাকাছি মত দিয়েছেন। এই মতের সোর্স উইকিপিডিয়াতে পাবেন। র এর জেনারেল উবানের নেতৃত্বে গুপ্ত প্রশিক্ষণ শেষে, মুজিব বাহিনী পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে কোন অপারেশনেই যায় নাই, শহরগুলোতে প্রবেশ করে নাই, মুজিব বাহিনীর নেতা আব্দুর রাজ্জাকের এরকম একটা ইন্টারভিউ শুনেছি, বা পড়েছি৷ এমন আলাপও আছে, ওরা গ্রামগুলোতেই ঢুকে লুটপাট করত, কিছু জাগায় দেশীয় কোলাবরেটরদের কোন কোন অংশকে হত্যাও করেছে। মুক্তিবাহিনী, এবং কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে ওদের পরিকল্পিত আক্রমণ ছিল বলা হয়, অধ্যাপক আসহাব উদ্দিন বোধ হয় এরকম একদল কমিউনিস্ট হত্যার ঘটনা নিয়া বই লিখেছেন, নাম মনে নেই। মুজিব বাহিনীর সদস্যদের বড় অংশরে নিয়াই, পরে, নাৎসি বাহিনীর আদলে স্পেশাল ফোর্স রক্ষীবাহিনী গঠন করা হয়। আচ্ছা, মুজিব বাহিনী নিয়া ইতিহাসের ধোঁয়াশাগুলো তো কইলাম। কিন্তু, মুক্তিযুদ্ধের পরে তৈরী হওয়া এই রক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে কি ইতিহাসের তেমন কোন ধোঁয়াশা আছে? পরের প্রশ্ন, অধুনা যে মুজিব বাহিনীর কমান্ডার মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ প্রশ্নে মুজিববাদী হেজিমনি তৈরী করছেন, উনাদের রক্ষী বাহিনীতে কী ভূমিকা ছিল, বা আদৌ ছিল কিনা, এই আলাপ কেউ তুলেছেন? তোলা জরুরি। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তি বাংলাদেশ কি শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ষী বাহিনীকে ঔন করে?

Show more
April 29, 2026
11 readers till now, 0 new visits today.

~হাও টু ডিজএগ্রি~

হাও টু ডিজএগ্রি, এইটা জানা, রপ্ত করাটা সভ্যতার কাজ।

শত্রুতা আর দ্বিমত যে আলাদা, এইটা বুঝতে পারাটা ন্যূনতম বোঝাপড়ার প্রথম দিককার স্তর। একই কথা, ব্যক্তি গোপনীয়তা নিয়া।

ধরেন, আপনার সাথে কারো দ্বিমত হল, তার সাথে আপনার আলাপের স্ক্রিণশট প্রকাশ করে দেওয়ার ঘটনাটি কেমন?

এমন কি শত্রুও যদি হয়, তার সাথে ব্যক্তিগত পরিসরে যে কোন আলাপ শুরুর ধরে নেওয়া অনুমান হল, এইটা নিজেদের ভেতরকার আলাপ, কোন পাবলিক ঘটনা না। এর মর্যাদা রক্ষা করবে উভয়ই, যতক্ষণ পর্যন্ত আলাপের কোন অংশ অপরের জন্য ফিজিক্যাল এসল্ট বা অন্যান্য ক্ষতির কারণ বা হুমকি, মানে আইনি অপরাধের ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়।

এর বাইরে, যে কোন প্রাইভেট কনটেন্ট, ছবি, স্ক্রিণশট বা ভিডিও পাবলিক স্পেইসে 'ফাঁস' ধরনের ঘটনা চরম ব্যক্তিগোপনীয়তা ও ট্রাস্টের লঙ্ঘন ও মানুষের মর্যাদারে ছোট করা, যা আপনার করার অধিকার নেই।

আমরা সরকারের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা এই ধরণের নজরদারিমূলক আইনগুলোর নানান দিক নিয়া যেসব আপত্তি তুলি, তার সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ হল এই ব্যক্তি গোপনীয়তা। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালে বিচারকদের স্কাইপি স্ক্রিণশট/রেকর্ড প্রকাশ করে যে নিউজ হইছিল, তার জন্য আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ট্রায়ালের কথা আপনাদের মনে থাকিত পারে। মূল ইস্যু ছিল ব্যক্তি গোপনীয়তা।

এইখানে, 'ট্রুথ ইজ নো ডিফেন্স'।

এইটা নোট রাখতে বলি আপনাদেরও। এই জাগায় লেখক-শিল্পী-ইন্টালেকচুয়াল দাবীদাররা যখন অসভ্য আচরণ করে, সেটি ভাববার ব্যাপার।

[আওয়ামীলীগ নেতারা, এমন কি হাসিনাও, 'সবকিছু ফাঁস করে দেয়া'র হুমকি দিতেন প্রায়ই। একাত্তর টিভি বা আর আর টিভি চ্যানেলগুলো, হাসিনার টাইমে, মাঝে মধ্যেই নানানজনের কলরেকর্ড, মানে সংবিধান ও আইন দ্বারা প্রটেকটেড নাগরিকদের ব্যক্তিগোপনীয়তা ফাঁস করতেন। তো, সেই সময়গুলোতে এই আলাপ বিভিন্নভাবে, আলাদা আলাদা সময়ে তুলেছিলাম। এই লেখাটা, বোধ হয়, দুই হাজার একুশের জানুয়ারিতে, কোন একজন সংস্কৃতিজগতের আলেম সলিমুল্লাহ খানের ব্যক্তিগত পত্র ফাঁস করছিলেন ও এইটা নিয়া আলোচিত হইতেছিলেন বেশ, সেই ঘটনা লইয়া। বা, আরো আগেরও হতে পারে। স্রেফ পুরনোদিনেরগান হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা। এই লেখাটা, বিভিন্ন সময়ে, শেয়ার করা জরুরত বোধ করেছি, যেমন, মেমোরিতে এল, গত বছর, একটিভিস্ট রাতুল মোহাম্মদের ব্যক্তিগত যোগাযোগের স্ক্রিণশট নিয়ে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ একটিভিস্ট ও নেতা ওয়াহিদুজ্জামান এপোলোর একটা পোস্ট শেয়ার হতে দেখার পরের শেয়ার এটি। তখন কইতেছিলাম, হাসিনা পরবর্তি সময়েও এই ঘটনাগুলো ঘটতে থাকা এলার্মিং। আজ, আবার, স্রেফ মেমোরি থিকা।]

/ জানুয়ারি ২০২১

Show more
April 21, 2026
11 readers till now, 0 new visits today.

দেখলাম, একটা পেইজ ঠিক করে দিচ্ছে, আপনি ডান, বাম, নাকি সেন্ট্রিস্ট৷ আর মধ্যপন্থা মনে গণসংহতি। বা এরকম আরো কিছু নাম, অন্যান্য পরিচয়ে। এই পেইজের রেজাল্টে, আমার হোমে শেয়ার হওয়া কারু পরিচয়ই, অজানা কারণে, এনসিপি পেলাম না। ইন্টারেস্টিং না?

April 10, 2026
12 readers till now, 0 new visits today.

ইন্টারভিউটা, মানে, সময়ের আলো পত্রিকার ঈদ সংখ্যাটা, হাতে পেলাম কয়েকদিন হল, উনাদের বদান্যতায়। ঈদ সংখ্যা ব্যাপারটা, খেয়াল করলাম, অনলাইনে ইপেপারের বাইরে এভেইলেবল থাকে না। সম্ভবত, বাণিজ্যিক কারণে। ফলে, ইন্টারভিউর লিঙ্ক শেয়ার করা গেল না। তবে, রিফাতহাসান.কমে আপ করবো, আরো কিছুদিন যাবার পরে৷ অনেকেই আমাকে জানিয়েছেন, চট্টগ্রামে এই সংখ্যাটা তারা কোথাও পান নাই। আমি যোগাযোগ করলাম উনাদের সাথে। ফলে, এই না পাওয়াদের জন্য কিছু কপি এক্সট্রা আনার ব্যবস্থা করতে পারছি। ঢাকায় পাচ্ছেন? কারা পড়লেন? কমেন্ট করতে পারেন। না পড়লে, পইড়া নিতে পারেন। অনেক খারাপ খারাপ আলাপ করেছি, যা আপনার পছন্দ বা অপছন্দের ঘটনাগুলোরে আঘাত করবে।

Show more
April 7, 2026
34 readers till now, 0 new visits today.

বিবি সওদা নামে যে হিজাব পরা নারীকে গ্রেফতার করা হল, তার মুক্তি দাবী করছি। জানা যাচ্ছে, তিনি জামাত কর্মী, ও সোশাল মিডিযায় জ্বালানি সংকট বিষয়ে কোন লেখা শেয়ার দিয়েছেন বইলা উর্ধতন নির্দেশে গ্রেফতার হইছেন। এই উর্ধতন কে, জানার আগ্রহ হচ্ছে। তার মুক্তি দাবী করছি, এজন্য নয় যে, তার একজন তিন বছর বয়সি প্রতিবন্ধি সন্তান আছে বইলা জানলাম৷ মুক্তি দাবী করছি, কারণ, তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের এই গ্রেফতারে লজ্জিত হওয়া উচিত এবং সংস্লিষ্ট পুলিশ অফিসারে বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, ও তার কথিত উর্ধতনের নাম জনসমক্ষে আসা উচিত। যাতে, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তি বাংলাদেশরে আবার দোজখ বানিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালনকারীদের চেহারা ও পরিচয় চেনা যায়। এই মুহূর্তেই বিবি সওদাকে মুক্তি দিন।

Show more
April 7, 2026
16 readers till now, 0 new visits today.

কেউ কেউ, তারেক রহমানরে 'ইউনুছ ২' কওয়ার চেষ্টা করতেছেন, বিয়ে বাড়িতে গানের উপরে সালিশির একটা নিউজ শেয়ার করে। এইটা খারাপ। দুইজনকে দেখলাম। এক বিএনপি একটিভিস্ট, এক বুদ্ধিজীবী। তো, প্রতিবাদের এই পদ্ধতি হল, পুরনো পাকিস্তানপন্থা, যা হাসিনারে বাঁচিয়ে দেবার চেষ্টা করত, গুম খুন ধর্ষণের অপরাধগুলোর সময়ে। ধরুন, ধর্ষণ করছে ছাত্রলীগ, এর প্রতিবাদ হতেছে পাক আর্মি, বা আর এক পাকিস্তানের উপর। আমি তখনকার এক্টিভিস্টদের এই পাকিস্তান থিকা মুক্তির কথা বলতাম। এই পাকিস্তানরে আমি, হাসিনার সময়ে ক্রুশবিদ্ধ যিশু বলতাম, যে হাসিনার সকল অপরাধের ভার বহন কইরা একবার ক্রুশবিদ্ধ হইছিল, ফলে, আদর্শগতভাবে হাসিনার, বা আপনার, আর কোন অপরাধ হতেছে না কোনভাবেই। দেখবেন, একটা গণহত্যা হল, তাও, আওয়ামীলীগ ফিরে আসার মন্ত্র জপতেছে বহু বছর আগরন পাকিস্তানের গণহত্যার অপরাধের নাম করেই। মানে, এর পরে আপনার আর কোন অপরাধও হইতেছে না কোন মতেই। তো, এই পাকিস্তানপন্থার থেকে মুক্ত হওয়ার পরেই কেবল, আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার চালানো গনহত্যাও, গণহত্যাই৷ এর দায় আপনারেই নিতে হবে, পাকিস্তানকে না।

Show more
March 29, 2026
11 readers till now, 0 new visits today.

ঐতিহাসিক নির্বাচনের পরে, আগামীকাল, ঐতিহাসিক দিনের বিসমিল্লাহ হবে হাসিনার ফেলে যাওয়া হযরত প্রেসিডেন্টের ভাষণ দিয়ে। অদ্ভূত ব্যাপার হল, ইনি জুলাইয়ের সময়ে হাসিনার গুলির নির্দেশের বৈধতা, ইন্টারিম কর্তৃক এর বিচার প্রক্রিয়া ও সংবিধান লংঘনের বৈধতা, এমন কি নির্বাচিত সরকারেরও শপথের একমাত্র বৈধতা হিশেবে বিরাজ করছেন। অথচ, একই সাথে হাসিনার গুলি আর আবু সাঈদের দাঁড়ানো বুকের বৈধতা যে এক হতে পারে না, তা গর্দভদের বোঝানোর চেষ্টা করে করে ক্লান্ত আমরা। তাদের কোন নীতিশাস্ত্র নেই। ধর্মও নেই। সামনের দিনগুলো কেমন যাবে, এইখান থেকে তার একটা ইশারা পাওয়া যাবে। সংসদের এই ছবিটি শেয়ার করলাম, যাতে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত তারা কীভাবে বহু শতাব্দীর পরে পৌঁছাতে সক্ষম হলেন, তা যাতে তারা মনে রাখে।

যদি নাহিদরা তাদের আগের অবস্থানে অটল থাকেন, তারা প্রেসিডেন্ট এর ইমপিচমেন্ট এর প্রস্তাব করবেন, যদ্দুর ধারণা করতে পারি। জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে সারাদিন উত্তপ্ত আলাপ হবে, এইটাও তো, ধারণা করাই যায়। তবে, নিশ্চিত নই, এই আলাপগুলোতে কতটা জুড়ে থাকবে জুলাইয়ের গণহত্যার শিকার ছাত্ররা ও পঙ্গুরা, শহীদ বিশ্বজিৎ কুমার দাশ, শহীদ আবরার ফাহাদ বা শহীদ ওসমান হাদি। আমরা নিশ্চিত হতে পারছি না, কোন গন্তব্যে পৌঁছাবে এই সংসদ শেষমেশ? সংবিধান সংস্কার পরিষদে যদি না পৌঁছানো যায়, কোথায় পৌঁছাবে সংসদ? বিএনপি, জোনাযেদ সাকি ও নুর কই নিয়ে যেতে চায় আমাদের?

ঠিক এই দুর্লভ মুহূর্তটিতেই, দেখবেন, টকশোগুলোতে আমাদের পুরনো বন্ধুরা, হাহা, আওয়ামীলীগের ফেরার আলাপ আনছে। এইটা ইন্টারেস্টিং। আওয়ামীলীগের ফেরা, এইটা, তাদের কারো কাছেই, গণহত্যার বিচার দূরে থাক, কোন এথিকাল ডিলেমার আলাপ হিশেবেও নেই। ছিঃ।

এইটা একটা সংকটই।

এই সময়টাতে, তরুণদের নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর ভিডিও দেখলাম, রাজনীতির ক্লাস নিচ্ছেন। মানুষ অসম্ভব পছন্দ করছে হাসনাতের এই ক্লাস, কারণ এতদিন তাদেরে বঞ্চিত করা হইত। সরকার থিকা বরাদ্দ খেজুর, ভিজিএফ কার্ড ও দুম্বা ইত্যাদি কীভাবে আসে, কীভাবে আপনি পাবেন, তার হিশাব দিচ্ছেন হাসনাত। এইটারে, কেউ কেউ খেজুরমবও কইতেছেন, যা লুটেরা ও চোরদের বিরুদ্ধে একটা দঙ্গল তৈরী করতে সক্ষম। বইলা রাখি, এই দঙ্গুলে স্পিরিট, আমার পছন্দ হইছে।

হাসনাতরা আমাদের একটা স্পিরিচুয়াল গন্তব্যে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে, যে গন্তব্যে পুরনো ট্রেডিশনাল রাজনীতিগুলো নিতে সক্ষম হবে না, আমার এরকম একটা বিশ্বাস আছে। তারপরও, অধির আগ্রহে, আগামীকালকের অপেক্ষায় আছি আমি। বিএনপির এজতেমা আমাদেরে কই নিযে যাবার কথা ছিল, কই নিয়ে যাবে শেষমেষ?

Show more
March 11, 2026
33 readers till now, 0 new visits today.

বিএনপিতে ফজলুর রহমান কাদের লোক?

প্রথমত, জুলাইয়ে আন্দোলনকারীদের ক্রিমিণাল বলার পরে, বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের পদ যখন স্থগিত করা হল, আর, এখন সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর, ফজলুর রহমানকে একটা গ্রুপ আলো হিশেবে ঘোষণা দিচ্ছেন। এই ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং।

তখনও, এখনও, এই আলোর পথের যাত্রীরা, যাদের বেশির ভাগই বাংলাদেশের ট্রেডিশনাল বামপন্থার সমর্থক বা একটিভিস্ট লোকজন, ফজলুর রহমানের আলোর সাথে থাকার ঘোষণা দিচ্ছেন মূলত ফজলু সাহেবের শেখ হাসিনা পুত্রের প্রতি একটা বিদঘুটে ঘেন্নাবাদি বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার দিয়ে, 'বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে সেলুট' জানিয়ে।

ভিডিওটিতে, ফজলু সাহেব, সম্ভবত হাসিনার সময়েই, হাসিনাপুত্র জয়রে একাধিকবার 'প্রতিবন্ধী' ও 'নষ্ট' বলে, এবং এইসব ছেলেপেলে কেন জন্মগ্রহন করেছিল দুনিয়াতে, তার জন্য উষ্মা প্রকাশ করলেন। দেখলাম, উনি ঘেন্না ছাড়া কোন প্রতিপক্ষের ব্যাপারেই কথা কইতে পারেন না।

রাজনৈতিক অভিব্যক্তি হিশেবে অতি নিম্নস্তরের ও এই ঘেন্নাবাদি ভাষা, অন্তত বামপন্থার সাথে যাওয়ার কথা তো না। বামপন্থার তো গভীরভাবে এইসবরে প্রশ্ন করারই কথা ছিল। কিন্তু, দেখা যাচ্ছে, অপছন্দের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরে 'প্রতিবন্ধী' ও 'নষ্ট' বইলা ঘেন্না ছড়ানো, এইসবকে আমাদের ঐতিহাসিক, মানে ট্রেডিশনাল বামপন্থার লোকজন সমস্যা তো মনে করেনই না, উদযাপন এবং পূজা করেন। এই ঘটনারে সমস্যা মনে করেন না আপনারা?

পাশাপাশি, প্রশ্ন করেন, বিএনপিতে এই আওয়ামী ঘেন্নাবাদের পূজা অর্চনাকারী ও জিয়াউর রহমান থিকাও বড় মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক হিশেবে বইসা থাকা ফজলুর রহমান, মূলত কাদের লোক হিশেবে একজিস্ট করেন?

Show more
February 14, 2026
34 readers till now, 0 new visits today.

ইন্টারেস্টিং ঘটনা খেয়াল করলাম। দ্য পোস্ট নামের পেইজ জামাত আমীর ডাক্তার শফিকের ঝিনাইদহে একটি জনসভার বক্তৃতা লাইভ শেয়ার করছে। এইটা কি কোন নিউজ পোর্টাল? এরা কারা? এর আগে, এদের দুইটা ইভেন্ট চোখে পড়েছে আমার। এক. গণভোটে হাঁ এর কনসিকুয়েন্স নিয়া একটা ভুয়া তথ্যসমৃদ্ধ ভিডিও বানিয়ে ছড়াইছে। যার জন্য পরে কোন ডিসক্লেইমার বা ক্ষমাও চাওয়ার ব্যাপার খেয়াল করি নাই। আপডেট: একজনের কমেন্ট থেকে জানলাম, ক্ষমা চেয়েছে। দুই. গণঅভ্যুত্থানের পরপর বাংলাদেশে পরিচিত বামপন্থিদের একটা দৃশ্যমান ক্ষমতা ও ইতিহাস দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছে, যেমন, এক দফার ঘোষক আনু মুহাম্মদ ইত্যাদি। এই পেইজ কি এইবার জামাত অধিকার করে নিল?

Show more
January 26, 2026
15 readers till now, 0 new visits today.

গণভোটে হ্যাঁ জিতলে 'নির্বাচনের পরেও আরও ৬ মাস ইউনুসের ক্ষমতা', অধুনা একটা বিশেষ আইডিওলগ গোষ্ঠীর মধ্যে জনপ্রিয় হওয়া দ্য পোস্ট, রেফারেন্ডাম পরবর্তি সরকার নিয়া এরকম একটা রিওমার ভিডিও বানিয়ে ছড়াচ্ছে দেখলাম। আনু মুহাম্মদকে এক দফার ঘোষক আর কিছু ছবিকে জুলাইর হিরো ঘোষণা করে আমার নজরে পড়েছিল এই পেইজ। আর, এই মতলবি ঘটনাগুলো নিয়া বাংলাদেশে আমার বন্ধুদের কেউ কেউ খুশি ছিল, কারণ তারাও এই হিরো প্রজেক্টের অংশ ছিল। তো, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব এই ভিডিও শেয়ার দিয়ে বললেন, এইটা ভুয়া তথ্য। আমি জানি না, এইটা সরকারের নিবন্ধিত কোন মিডিয়া কিনা। তবে, আবারো পুরনো প্রশ্ন করি। এই ধরনের ঘটনারে নিয়া মিডিয়া এথিকস আর নীতিমালাগুলো কী? একটা মিডিয়া ভুয়া নিউজ তৈরী করার পর এই মিডিয়ার দায় বা তার প্রতি সরকারের দায় কী? স্রেফ বিবৃতি? তাদের এই মিথ্যা প্রচার যদি সচেতন ঘটনা হয়, এইটা তো ক্রাইমও। একটা ক্রাইম নিয়া সরকারের লোকেদের স্রেফ বিবৃতি দিয়ে মোকাবেলার ঘটনাটি কেমন? পাশাপাশি, প্রশ্ন কইরা রাখি, জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তি এই রিওমারগুলোর স্পন্সর কারা?

Show more
January 19, 2026
12 readers till now, 0 new visits today.

এনপিএ সুন্দর নাম। কিন্তু, এনপিএ পড়তে গিয়ে এনসিপি পড়ছি। এইখানে আমার পছন্দের এবং বেশ কাছের লোকজন আছেন দেখলাম, যেমন নাশাদ ময়ুখ, মীর মানজুরের ভাই হুযাইফা, সাদিক, তুহিন খান। সম্ভবত এমন আরো অনেকরে পাবো। অনুষ্ঠানে কারা আসল, ছবিতে দেখছিলাম। ফরহাদ মজহারের শাদা জামা চোখে পড়লো। আমার স্টিল লাইফ মনে হল এই ছবি। আমিও, ঢাকায় থাকলে হয়তো এরকম এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকতেই যেতাম। শুনতাম। কিন্তু, ওরা যে এনসিপির এনটা দিয়ে বিসমিল্লাহ করল, এইটা এনসিপির অলটার ইগো হয়ে উঠার ঘটনা না হলে ভাল। এই ঘটনা নিয়া শুরুর একটা পত্রিকা নিউজ করেছিল, এনসিপির থিকা বেরুনোদের সংগঠন, আর বাম ও বাংলাদেশপন্থা ইত্যাদি। সম্ভবত আজকের পত্রিকা। এই পত্রিকার ফারুকী ফ্রেন্ডলিস্টে থাকায় বেশ নজরে পড়ে এদের শেয়ারগুলো। পরে উনারা প্রতিবাদ করলেন, এইটা এনসিপির থিকা বেরুনোদের সংগঠন না। তারো আগের প্রস্তুতি ওদের। আর, দেখলাম, উদ্যোক্তাদের একজন বাংলাশেপন্থা শব্দ নিয়াও ডিসক্লেইমার জানালেন। যাই হোক, প্রাক্তন সিপিবি ছাত্রইউনিয়ন ইত্যাদি বামেদের একটা সংগঠন হল। প্রাক্তন জামাত শিবিরের একটা সংগঠন হইছিল এনসিপির থিকা বের হয়ে। তখন, এইটারে আমি এনসিপির অলটার ইগো বলেছিলাম। এর বাইরে নিজের চরিত্রের কোন রাজনীতি হাজির করতে পারে নাই ওরা। তো, এরাও যাতে প্রাক্তনের অলটার ইগো হয়ে না ওঠে। খেয়াল করলাম, নতুন দল এনপিএর আমন্ত্রণ তালিকায় বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান আছেন, প্রাক্তন মন্ত্রী মাহফুজ আলমরেও দেখলাম, কিন্তু নাহিদ ইসলামকে আমন্ত্রণ জানাতে গেছে, এরকম কোন ছবি দেখলাম না। আপনারা দেখলেন কি? বা, জামাত নেতা ডাক্তার শফিকের, বা ইসলামী কোন দলের নেতা, বা পীরের সাথে দেখা করতে গেছে, এরকম ছবি নেই। কেন? মানে, তারেক রহমানের সাথে দেখা হওয়ার তো একটা ব্রিটিশ রাজকীয় ব্যাপার আছে, নিশ্চয় আমিও তারেক রহমানের সাথে দেখা হলে বেশ খুশিই হবো। কিন্তু, বাকি পথগুলো ওরা পেরুবে না? সিপিবির কেউ কেউ বা সাহিত্যিক জাকির তালুকদার নাকি ওদেরে জাশির দোকান কইতেছে। হা হা। এইটা উনাদের পুরনো ব্যবসা। রাষ্ট্রসংস্কারের একজনরে দেখলাম, এনসিপিরেও জাশির দোকান কইতেছে। তো, এই দোকানদারির থেকে যে বেরুনোর ব্যাপার আছে, তা ভাবেন। ভাবতে বলছি, কারণ, রাজনীতিতে সেলফ ক্রিটিক না থাকলে আপনি কোন পথই পেরুতে পারবেন না। আমি এনপিএর ঘটনাকেও বামপন্থাগুলোর সেলফ ক্রিটিক হিশেবে পড়তে আগ্রহি। একজন দেখলাম, জানিয়েছে, ওরা ৪৭ কে এনডোর্স করছে, মতিঝিলের হত্যাকাণ্ড নিয়া কথা বলেছে। এইটা বেশ ভাল ব্যাপার। কিন্তু, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে শাহবাগের যে দায়, এইটা ওরা এনডোর্স করে? ওরা ব্রুটাল শাহবাগকে পেরুতে পারবে? ওখানে এমন অনেকে আছেন, যারা মনে করেন, শাহবাগ তাদের ভুল পথে হারানো বিপ্লব। একদা যৌবনযাত্রার বাকশাল ভাবনার মত। এইটা নোকতা দিয়ে রাখলাম। আমার অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও এরকম মনে করেন যদিও। মজার ব্যাপার হল, এইখানে থাকা অন্তত আমার চোখে পড়া দুজন আছেন সেই সময়ে হত্যাকান্ডের শিকার ছাত্রদের প্রতিষ্ঠান কওমি মাদ্রাসা থিকা আসা। তাদের একজন শাহবাগের গণহত্যা নিয়া কবিতা লিখেছিলেন, সম্ভবত সেই সময়েই। তুহিন খানের কথা বলছি। তো, এইসব তো ওদেরে নিরেট প্রাণহীন জড় হয়ে উঠতে দেবে না৷ একটা সেলফ ক্রিটিকের প্রসেসের ভেকর দিয়ে যেতে জবে ওদের। এদের প্রায় সবাই যেহেতু এখন ভিজুয়াল মিডিয়ায় আসেন, স্ক্রল করতে করতে উনাদের ভয়েস তো আসেই মাঝে মধ্যে। এই ভয়েসগুলো এই মিসিং মুহূর্ত নিয়া কখনোই কথা বলে না তেমন কইরা। একবার বাকি বিল্লার কণ্ঠে দুই একটা ব্ক্য শুনেছিলাম। এইবার উনারা রাজনীতিতে নামলেন। নিশ্চয় আরো অনেক স্পষ্ট হবেন এবার। কারণ, রাজনীতি কোন গুপ্ত, গোপন ঘটনা না, ক্রমাগত স্পষ্ট করার ব্যাপার। সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও রাজনীতি।

Show more
January 17, 2026
11 readers till now, 0 new visits today.

'ন্যারেটিভ' নামে একটা প্রতিষ্ঠানের জরিপ নিয়া শোরগোল হইতেছে। জরিপ আমি দেখি বা শুনি না। কিন্তু একটা প্রবণতা খেয়াল করলাম, ন্যারেটিভের একটা অনুষ্ঠানের ছবিতে সামনে থাকা বক্তাদের মধ্যে আমাদের পরিচিত মোহাম্মদ ইশরাকের চেহারা শেয়ার করে দেখাচ্ছেন কেউ কেউ, এইটা জামাতপন্থি। বইলা রাখি, ইশরাককে ইদানীং কিছু কিছু জাগায় বেশ শার্প অবজার্ভার হিশেবে খেয়াল করেছি। তো, জামাতপন্থা নিয়ে আমার আগ্রহ বা আফসোস উভয়ের কমতি আছে, আপনারা জানেন। কিন্তু আমার আগ্রহ সব সময়ই ছিল, আমাদের সমাজে এইরকম পরিচয় তৈরীর এলাইনমেন্টগুলো কীভাবে ঘটে, তারে নজরে রাখা। খুঁজে দেখলাম, এই ছবিতে এক বা দুজন একদা জামাতপন্থার কাছের লোক দাবীকারীরা আছেন, আলোচক হিশেবে। কিন্তু আরো অনেকের নামই আছে, যা এই ছবি প্রচারের লোকেরা হাইড করছেন। যেমন, একটা নাম দেখলাম, প্রফেসর তানজিম খান, ন্যারেটিভেরই অন্য একটা আলাপে বোধ হয়, আবার, আমাদের পরিচিত আরিফুল হোসেন তুহিনরেও দেখলাম। আর, আমার অত্যন্ত পছন্দের নায়েল রহমান। আবার, এক ছাত্রদল নেত্রী, (সংশোধনী: ভুল। ইনি বোধ হয় কোন বাম দলের ডাকসু প্রার্থি ছিলেন।) নাম ইমি। এরকম আরো বহুত লোকরে দেখলাম। সেই নামের ফিরিস্তির জন্য এই আলাপ নয়। এই আলাপ হল, এদের সবার সম্মিলিত উপস্থিতিও ন্যারেটিভ নামে প্রতিষ্ঠানটিরে জামাতি হিশেবে প্রজেক্ট করা থিকা নিরস্ত করতে পারল না অন্যদের। এরা জামাত হয়ে গেলেন স্রেফ মোহাম্মদ ইশরাক বা আরো এক দুইজনের উপস্থিতিতে। মানে, এইখানে নিক্তি হল, নিজের কুয়ার ভেতর থিকা না বেরুতে মৌলবাদি হবার সিদ্ধান্ত নিতে পারলেন কি পারলেন না আপনি, তা। মানে, একটা রিজিড কুয়ার পুঁটিমাছ হতে হবে। এইটা ইন্টারেস্টিং না? বইলা রাখি, আমি যেহেতু খোঁজ খবর রাখতে না চাওয়া লোক, ন্যারেটিভ নামটা এই উপলক্ষেই প্রথম শুনলাম মনে হল। তো, এই ন্যারেটিভের মত, জুলাইয়ের পরে, অন্তত কর্মকৌশলে মৌলবাদিতা নেই, এরকম আর কোন কোন প্রতিষ্ঠান তৈরী হয়েছে, আপনারা কমেন্টে জানাতে পারেন। তাদেরে কখনো খেয়াল করব।

Show more
January 13, 2026
15 readers till now, 0 new visits today.

আমি ফর্ম হিসেবে আবৃত্তি অপছন্দ করার লোক। কবিতা এইসব ভান দিয়া পাঠের জিনিশ না। একাধিকবার আমি খেয়াল করেছি, কবিরাও কবিতা পড়েন, ভান দিয়ে, পারফর্মার হিশেবে। কবিদের কবিতাপাঠে আমার আল মাহমুদ পছন্দ। মাহমুদ জীবিতকালে শহর নামে একটা কবিতা পড়ছেন, ইউটিউবে দেখা যায়। এইটা খুঁজে নিয়ে শুনবেন। আরো কিছু কবিতা, যেমন, প্রত্যাবর্তনের লজ্জা, শেষ ট্রেন ধরবো বলে এক রকম ছুটতে ছুটতে ষ্টেশনে- শুনবেন মাহমুদের কণ্ঠে। শুনলে, আপনি বুঝবেন, কবিতা ব্যাপারটা ঠিক কীভাবে পড়েন কবিরা, পারফরমেন্সরে থোড়াই পাত্তা দিয়ে। তো, গতকাল সাংবাদিক এহসান মাহমুদের শেয়ার করা একটা কবিতা পাঠ শুনলাম, আল মাহমুদের। নাম, খালেদা। শুনতে শুনতে আমার প্রথমে ভ্রম হইতেছিল, সেই একটু আগের শোনা আল মাহমুদই পড়তেছেন। দেখলাম, পড়ছেন ভদ্রলোকের নাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জুলাইয়ের আগের বছরগুলোতে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে সারা দেশে যে জনসভা হইতেছিল, এগুলোরে আমি মানুষের এজতেমা কইতাম। সেই সময় ফখরুলরে বেশ পছন্দ হইত। প্রশ্ন করেছিলাম, বিএনপির এই এজতেমা কই গিয়া শেষ হবে? এখন আমরা কিছুটা পড়তে পারছি বিএনপিরে। সেই কারণে, জুলাইয়ের পরে এই পছন্দ আমার কমেছে নানানভাবে। কিন্তু, গতকাল সেই ফখরুলের এই কবিতা পাঠ শুনে, উনারে আবার, একটু ভাল লাগল। এই ভাল লাগা, কিছুটা অরাজনৈতিক। ফখরুল কোন ভান ও আবৃত্তিপনার ধার দিয়া যান নাই। স্রেফ পইড়া গেছেন। এইটুক আমার পছন্দ হল। যদিও, এই কবিতা যারা শেয়ার দিতেছেন, তারা কইতেছেন 'আবৃত্তি'। হা হা। তো, ট্রেডিশনাল আবৃত্তি করেন এমন একজন, মানে প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টর অইখানে গিয়ে কইতেছেন, আবৃত্তির কিছুই হয় নাই ওখানে। ফখরুল প্রায় কিছুই জানেন না, ইত্যাদি। হা হা। তো, এই হল প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টর, আর কবিতার পার্থক্য। ফখরুল, একজন কবি না হয়েও, কবিতারে প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টারদের থিকা আলাদা কইরা পড়তে ডরান নাই, এইটুক ভাল লাগল। বলতে পারেন, মুগ্ধ হলাম।

Show more
January 9, 2026
33 readers till now, 0 new visits today.

বাংলাদেশে 'ইসলামী' দল নেই। জামাত 'ইসলামী' দল না। জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম নামের একটি দলের নেতা, নামটা ভুইলা গেছি, সম্ভবত বিএনপির জোট থেকে নির্বাচন করছেন, যখন জামাত নিয়া প্রশ্ন করা হল, তখন তিনি বললেন এই কথা। ভদ্রলোকের ভিডিওটা দেইখা চমৎকৃত হলাম। যিনি শেয়ার করলেন, উনি বোধ হয় জামাত সমর্থক, কারণ উনারে মুনাফেক কইয়া তার প্রমাণ হিশেবেই এই ভিডিও শেয়ার করলেন। তো, প্রশ্নকর্তা উনারে জিগেশ করলেন, আপনারাও কি ইসলামী দল না? উনি কইলেন, না। কোন ইসলামী দল না আমাদেরটাও। আমরা আলেম ওলামাদের দল মাত্র। ইসলামরে টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করি। এইটাই আলেম ওলামাদের কাজ। বাংলাদেশে ইসলাম নিয়া রাজনীতি করা দলগুলোর ভেতরে এই উক্তির চাইতে বেটার বোঝাপড়া আমি তেমন দেখি না। উনার এই আলাপটি কিছুটা পছন্দ হইল। বাংলাদেশে আলেম ওলামারা কেন ইসলামী রাজনীতি বইলা কিম্ভূত বস্তুতে আগ্রহী না, কিন্তু রাষ্ট্রের নেগোশিয়েটিং পার্টি হিশেবে ঐতিহাসিকভাবে থাইকা যাওয়ারে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, তারে নিয়া উনার এই বোঝাপড়ার কাছাকাছি একটা আলাপ করেছিলাম বহু আগে, পাকিস্তানি তাত্বিক একবাল আহমেদের একটি লেখার বরাতে। হেফাজত ছিল আমার আলাপের কেন্দ্রে। ভদ্রলোক আবার মনে করিয়ে দিলেন।

Show more
December 28, 2025
13 readers till now, 0 new visits today.
Rifat Hasan · 10 months ago

আমার লেখার তফসির করা আমার স্বভাব নয়, অন্তত যারা আমার পাঠক, তাদের প্রতি অবিচারও এইটা। পোস্টে আরো কয়েকজন জ্ঞানী গুণির উত্তর দিয়েছি আমি, কিন্তু এই স্ক্রিণশটগুলো আলাদাভাবে শেয়ার করলাম, কারণ, মনে হল, যারা এদের মত কইরা দ্রুত ভাবতে চান, তাদের জন্য দ্রুত এমসিকিউ গোছের একটা উত্তর থাকা দরকার। আমি লিখেছিলাম, আমাদের জাতীয় সংগীত ফ্যাসিস্ট গাইতে পারলে, তা আর আমাদের গান হইতে পারল কীভাবে? এইটারে তোহা এবং শাহীন উভয়েই ফতওয়া আকারে নিলেন। উভয়ই শার্প চিন্তা করেন নানান ক্ষেত্রে ও একটিভিস্টও কোন কোন ক্ষেত্রে।

Show more
December 8, 2025
35 readers till now, 0 new visits today.